সাভারের আশুলিয়া এলাকার একটি বন্ধ ঘর থেকে এক নারী, এক পুরুষ এবং একটি নবজাতকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্য জামগড়া এলাকার হাজী হযরত আলীর মালিকাধীন একটি ভাড়া বাসার কক্ষ থেকে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে ওই পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ছিল, যা দেখে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই ভাড়া বাসাটির দরজা ও জানালা সব সময় বন্ধ রাখা হতো। যারা ওই ঘরে বসবাস করতেন, তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন। ঘটনার দিন রাতে ওই ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তারা বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেন এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তালা ভেঙে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। বিশেষজ্ঞরা ঘরটির ভেতর থেকে বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করেন, যা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সহায়তা করবে। প্রাথমিক তদন্ত চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে যে নিহতরা স্বামী-স্ত্রী হতে পারেন বলে তাদের ধারণা।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিহতদের প্রকৃত পরিচয় এবং তাদের সঠিক ঠিকানা শনাক্ত করার জন্য পুলিশ বর্তমানে কাজ করছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।