মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
Title :
স্ত্রীর মৃত্যুর শোক না কাটতেই পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ছেলের আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভার পর স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বৈদ্যুতিক ট্রেন ও গাবতলী-দাশেরকান্দি মেট্রোসহ একনেকে উঠছে ১৬ প্রকল্প দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব ছিলেন কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরিফ উদ্দীন ছবি ডিলিট না করেই আইফোনের স্টোরেজ খালি করবেন যেভাবে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কোন ১০টি সাপ ও এর কতগুলো বিষধর? হুড়োহুড়ি করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়েই ৪ জনের মৃত্যু, দাবি স্বজনদের কুলিয়ারচরে হাতকড়াসহ পালানো আ.লীগ নেতা ১০ ঘণ্টা পর আটক: এ ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার নতুন মোড়কে পুরোনো খাবার, কেনার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন ক্যানসারের চিকিৎসায় মাথার সব চুল ফেলে সামিয়ার আবেগঘন বার্তা

কর্মস্থলে অনুপস্থিতদের শোকজের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ Time View
24

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রমে নজরদারি বাড়িয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি তিনি নিজ দপ্তরে বসে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন। এই অভিনব ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো চিকিৎসকদের কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা।

ডিজিটাল মনিটরিংয়ের সময় কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী, নরসিংদীর বেলাবো ও রায়পুরা, লালমনিরহাটের আদিতমারী, বান্দরবানের লামা এবং সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হাজিরা খাতা যাচাই করা হয়। এই আকস্মিক পর্যবেক্ষণে বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির বিষয়টি সরাসরি মন্ত্রীর নজরে আসে। এ ধরনের অনুপস্থিতি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার মৌলিক অধিকারে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উপস্থিতিতে অনিয়ম ও অনুপস্থিতির বিষয়টি ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে টেলিফোনে বা সরাসরি কথা বলে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। একইসঙ্গে, কোনো ধরনের পূর্বানুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

হাসপাতালে ডাক্তারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান যে, সাধারণ মানুষ যেন তাদের নিজ এলাকার সরকারি হাসপাতাল থেকে কোনো প্রকার অবহেলা ছাড়া নিয়মিত সেবা পায়, তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। ভবিষ্যতে এ ধরনের আকস্মিক ডিজিটাল তদারকি আরও জোরদার করা হবে এবং নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চিকিৎসালয়গুলো মনিটরিং করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল হাজিরা পর্যবেক্ষণের এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চলাকালীন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত থেকে সার্বিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন এবং হাসপাতালের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com