চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় নির্ধারিত ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ঘটিত একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা। এই সামরিক মহড়া চলাকালীন হঠাৎ সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে তিনি মারাত্মক আঘাত পান, যা তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করে। ঘটনার পরপরই তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ঢাকায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আহত ওই সেনা কর্মকর্তাকে পরবর্তীতে রাজধানীর ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসকরা তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। হাসপাতালের বিশেষায়িত ইউনিটে তার শারীরিক অবস্থার নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলছে এবং চিকিৎসকদের একটি বিশেষজ্ঞ দল তার সার্বিক সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।
কর্তব্যরত অবস্থায় গুরুতর আহত হওয়া এই সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সম্প্রতি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে সশরীরে ছুটে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তিনি চিকিৎসকদের কাছ থেকে ওই কর্মকর্তার শারীরিক ও চিকিৎসার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের পাশাপাশি আহত কর্মকর্তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো কমতি না রাখার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই হাসপাতালে আগমন এবং আহত কর্মকর্তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশের বিষয়টি সামরিক ও বেসামরিক মহলে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। দেশসেবায় নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর কোনো সদস্য দায়িত্ব পালনকালে এ ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হলে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে যেভাবে পাশে দাঁড়ানো হয়, এই ঘটনা তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।