বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
Title :
ছেলের বিয়ের বাজার করে ফেরার পথে দম্পতি নিহত বিগ ব্যাশের বেসরকারিকরণ, ঝাঁপিয়ে পড়বে আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিরা! মেট্রোরেলের ৪৬ পিয়ারে ফাটল, ২৭টি ত্রুটিপূর্ণ বেয়ারিং প্যাড চিহ্নিত: সংসদে সেতুমন্ত্রী গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে চুরি যাওয়া লেমুর ভারতে পাচার হলো কীভাবে? হংকংয়ে নজরুল ইসলাম মজুমদার ও পরিবারের সম্পদ জব্দের নির্দেশ স্পেনে আরও একটি ক্লাব কিনতে যাচ্ছেন মেসি পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের বাবা ডাক শোনার আগেই পৃথিবী ছাড়লেন সেনাসদস্য ছিদ্দিক পুলিশের হাতে বয়সের ভারে নুইয়ে পড়া শতবর্ষী নূর মোহাম্মদের পুরনো গল্প পরীক্ষার ফরম পূরণের টাকা নিয়ে উধাও কর্মচারী, বিপাকে ৯১ শিক্ষার্থী

আবার ডাক পেলে টেস্টে খেলার জন্য প্রস্তুত আছি: হৃদয়

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬ Time View
9

দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে চার দিনের অনানুষ্ঠানিক টেস্টে চোখধাঁধানো এক ট্রিপল সেঞ্চুরি ও সাড়ে তিনশ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে ক্রিকেট মহলে দারুণ আলোচনার জন্ম দিয়েছেন জাতীয় দলের ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিয়মিত মুখ হলেও এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি লাল বলের ক্রিকেটেও নিজের কার্যকারিতা ও সক্ষমতার জোরালো প্রমাণ দিয়েছেন। ফলে নির্বাচক এবং কোচিং স্টাফদের ভাবনায় তিনি এখন নতুন করে জায়গা করে নিয়েছেন এবং আসন্ন টেস্ট সিরিজগুলোতে তার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে জোরেশোরে আলোচনা চলছে। এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজের টেস্ট অভিষেক রাঙাতে না পারায় তাকে নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছিল, যার ফলে পরবর্তীতে স্কোয়াডে তার সুযোগ পাওয়া সীমিত হয়ে পড়েছিল। তবে সাম্প্রতিক এই মহাকাব্যিক ইনিংস সব সমালোচনার জবাব দিয়ে তাকে আবারও দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটের আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, কেবল এক বা দুটি ম্যাচ দেখে কোনো খেলোয়াড়ের সামর্থ্য সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয় এবং কাউকে দ্রুত বাদ দেওয়াও সঠিক নয়। তিনি মনে করেন, একজন ক্রিকেটারের প্রকৃত দক্ষতা যাচাই করতে হলে তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে হবে, যার ইঙ্গিত স্পষ্ট করে যে হৃদয়কে খুব শীঘ্রই টেস্ট ফরম্যাটে ফিরিয়ে আনার কথা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। নির্বাচকদের এমন ইতিবাচক মানসিকতা তরুণ এই ব্যাটারকে লাল বলের ক্রিকেটে নতুন সুযোগ পাওয়ার পথ প্রশস্ত করে দিচ্ছে। দল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা এখন উপলব্ধি করছেন যে, ঘরোয়া ও ‘এ’ দলের এমন বড় ইনিংসগুলো জাতীয় দলের টেস্ট স্কোয়াডকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খুব বেশি দূর চিন্তা না করলেও সুযোগ পেলে টেস্ট দলে খেলার বিষয়ে নিজের সম্পূর্ণ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন খোদ তাওহীদ হৃদয়। মুঠোফোনে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সুদূর ভবিষ্যতের চেয়ে বর্তমান সময় ও নির্দিষ্ট দিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়াই তার মূল লক্ষ্য। তবে দল যদি তাকে লাল বলের উপযুক্ত মনে করে এবং জাতীয় দলে ডাক পাঠায়, তবে তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে খেলতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করবেন না। একজন পেশাদার ক্রীড়াবিদ হিসেবে দলের চাহিদা অনুযায়ী যেকোনো ফরম্যাটে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেওয়াই তার মূল দায়িত্ব বলে তিনি মনে করেন।

দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটকে একজন ক্রিকেটারের দক্ষতা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করেন এই তরুণ ব্যাটার। তার মতে, বিশ্বমানের ব্যাটার হয়ে উঠতে এবং নিজের কৌশল, মেজাজ বা টেম্পারামেন্ট ও শট সিলেকশন নিখুঁত করতে টেস্ট ক্রিকেটের কোনো বিকল্প নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে চার দিনের ম্যাচে দীর্ঘ সময় উইকেটে টিকে থেকে খেলার অভিজ্ঞতা তার ঝুলিতে অনেক নতুন শিক্ষা যোগ করেছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এই বড় ইনিংসটি খেলার মাধ্যমে তিনি নিজের ব্যাটিংয়ের অনেক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি করে টেস্ট ম্যাচ খেলে নিজের ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করতে চান। সব মিলিয়ে, হৃদয়ের এই আত্মবিশ্বাস এবং ইতিবাচক মনোভাব তাকে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত করার বার্তা দিচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com