মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
Title :
হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে অনড় সরকার, ভারতের কাছে প্রত্যাশা ‘মুখ বন্ধ রাখা’ ইতালিতে হামলা, শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার বাঁধন দেশে নিরক্ষর প্রায় পৌনে ৪ কোটি মানুষ স্ত্রীকে কখনো নিজের মেয়ে, আবার কখনো ভাতিজি বলে বিয়ে দিতেন স্বামী শেরপুরে বর্ণিল আয়োজনে ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন তিন বছরের শিশুর মতো দেখতে ১৭ বছরের ইয়াসিন, দুঃখই যেন তার জীবনসঙ্গী ইতালিতে জুলাই যোদ্ধা আজমিরী হক বাঁধন কাণ্ড: বহির্বিশ্বে আমাদের আত্মসম্মান কোথায়? ঘটক এখন অতীত, সঙ্গী খোঁজার নতুন ট্রেন্ড ‘পিচ-এ-ফ্রেন্ড’ ‘এদের কাছে বাচ্চার কান্নাও কিছু না’, বাঁধনকে হেনস্তায় পরীমনির ক্ষোভ কুমিল্লায় বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২০ শিক্ষার্থী আহত

মার্কিন দূতদের সঙ্গে আলোচনার পর যুদ্ধ নিয়ে যা বললেন জেলেনস্কি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ Time View
8

রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী প্রতিনিধিরা ইউক্রেন সফর করেছেন। নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি ইউক্রেন সফরে গিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ অবসানের উপায় খুঁজে বের করতেই তাদের এই কূটনৈতিক তৎপরতা বলে জানা গেছে।

এর আগে মার্কিন এই দুই দূত মস্কো সফর করেছিলেন এবং সেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন। মূলত মস্কো এবং কিয়েভ—উভয় পক্ষের সঙ্গেই সরাসরি আলোচনা চালিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলমান বৈরিতা দূর করার একটি গ্রহণযোগ্য পথ খোঁজার চেষ্টা করছেন ট্রাম্পের এই বিশেষ প্রতিনিধিরা।

এই কূটনৈতিক অগ্রগতির বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মার্কিন দূতদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা শেষে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন যে, ওয়াশিংটনের এই নতুন উদ্যোগ এবং মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। ইউক্রেন সর্বদা একটি স্থায়ী ও ন্যায়সঙ্গত শান্তির পক্ষে রয়েছে এবং মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করতে তারা প্রস্তুত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন এই শীর্ষ দূতদের কিয়েভ ও মস্কো সফর বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি এই সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক চাপ ও ভূমিকা আরও জোরালো হতে পারে। তবে চূড়ান্ত কোনো যুদ্ধবিরতি বা শান্তি চুক্তির পথে এখনও অনেকগুলো জটিল কূটনৈতিক ধাপ অতিক্রম করতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com