সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
Title :
টিকটক ভিডিও নিয়ে বিরোধ, চুয়াডাঙ্গায় যুবককে কুপিয়ে জখম নির্বাচন কবে ঠিক নেই, অথচ পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে মাদারীপুর খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে, একদিনে আক্রান্ত ৩৩৪ আজ থেকে আমানতের মূল টাকা ফেরত পাবেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার শুরু ২৯ অক্টোবর জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট, চবি শিক্ষক বরখাস্ত মুশফিক ভাই বলেছেন, খুশি হওয়ার কিছু নেই, রান করো- সেটাই তোমার কাজ! বিশ্বকাপে না খেলার তদন্ত রিপোর্ট আসবে আগামী সপ্তাহে: আমিনুল ব্যক্তির কারণে কোম্পানি বন্ধ করে দেশের অর্থনীতি চলতে পারে না শেষ মুহূর্তের গোলে ম্যানইউর জয় কেড়ে নিলো এভারটন

ব্যক্তির কারণে কোম্পানি বন্ধ করে দেশের অর্থনীতি চলতে পারে না

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬ Time View
8

ব্যক্তিবিশেষের অপরাধ বা অনিয়মের দায়ে কোনো প্রতিষ্ঠান চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে এক আইনপ্রণেতার উত্থাপিত সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এই কঠোর অথচ বাস্তবসম্মত অবস্থান তুলে ধরেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ওই সংসদীয় অধিবেশনে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির ভুলের খেসারত পুরো একটি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানকে দিতে হলে তা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিলে তার সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন যে, এর ফলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান আকস্মিক হুমকির মুখে পড়ে। কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বহু মানুষের রুটি-রুজির সরাসরি সংযোগ থাকে এবং সেটির ব্যাংক ঋণ পরিশোধসহ নানা ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতাও জড়িত থাকে। তাছাড়া জাতীয় অর্থনীতিতে যেকোনো নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের একটি সুনির্দিষ্ট অবদান রয়েছে, যা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তাই কর্মসংস্থানের সুরক্ষা এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রতিষ্ঠান বাঁচিয়ে রাখার বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

অর্থনীতি কোনো আবেগের বশে পরিচালিত হয় না বরং এটি কঠোর বাস্তবতার নিরিখে চলে বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই তার সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক ক্ষতি ও প্রভাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হিসাব করে দেখতে হবে। আবেগের তাড়নায় হঠকারী সিদ্ধান্ত নিলে দেশের পুরো আর্থিক খাতের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাই দেশের স্বার্থে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেগ বাদ দিয়ে প্রচলিত আইন ও নিয়মের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।

আইনি কাঠামোর ব্যাখ্যা দিয়ে অর্থমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা হতে পারে, তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় কারাবন্দী করা যেতে পারে কিংবা অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তিও হতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই কোম্পানির স্বত্বাধিকারী বা ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপানো যায় না। একটি কোম্পানি আইনের চোখে একটি পৃথক সত্ত্বা বা লিগ্যাল বডি, তাই ব্যক্তির বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ওই কোম্পানির স্বাভাবিক কার্যক্রম ও ব্যবসায়িক গতিশীলতা অব্যাহত রাখতে হবে বলে তিনি জোরালো মত প্রকাশ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com