সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
Title :
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিনা সুদে ১০ হাজার টাকা ই-ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন ব্যাংক গ্রাহকরা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ৪ হাজার কোটি টাকা ফেরত চেয়ে ৩৭ হাজার আবেদন দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান ৮ দিন পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট, নেমেছে হ্রদের পানির উচ্চতা যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত বিরামপুরে বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টা পণ্ড মানবাধিকার, গুম প্রতিরোধ ও সম্পত্তি হস্তান্তরে তিন বিল সংসদে পাস কাফরুলে শিশু অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার নারী কারাগারে বিসিএসের ভাইভা দিতে ঢাকায় আসার পথে দুর্ঘটনায় ঢাবি শিক্ষার্থী নিহত

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ৪ হাজার কোটি টাকা ফেরত চেয়ে ৩৭ হাজার আবেদন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ Time View
5

অনিয়মের কারণে সংকটে পড়া এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক—এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান একীভূত করে গঠিত হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। বিগত সরকারের আমলে এসব ব্যাংকে বিভিন্ন অনিয়ম ও বেনামি ঋণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটপাট করা হয়, যা পরবর্তীতে ব্যাংকগুলোর আর্থিক ভিত্তিকে অত্যন্ত দুর্বল করে তোলে। একপর্যায়ে সাধারণ আমানতকারীদের জমানো অর্থ ফেরত দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়লে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই পুনর্গঠিত ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যার বড় একটি অংশ জুগিয়েছে সরকার।

আমানতকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং তাদের দুর্ভোগ লাঘব করতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের জন্য সম্প্রতি ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই ব্যাংকটির আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের জন্য আবেদন নেওয়া শুরু হয় এবং কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় ৩৭ হাজার গ্রাহক টাকা তুলতে আবেদন করেন। এসব আবেদনের বিপরীতে গ্রাহকদের দাবীকৃত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট জানানো হয় যে আমানতের ওপর কোনো ধরনের ‘হেয়ারকাট’ বা অর্থ কাটা হবে না এবং ব্যক্তি পর্যায়ের আমানতকারীরা তাদের মূল টাকা তুলতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, আমানতকারীরা তাদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাবের পাশাপাশি মেয়াদি আমানতের মূল টাকা তুলতে পারলেও এই মুহূর্তে কোনো মুনাফা পাবেন না। কেউ যদি মূল টাকা তুলে নেন, তবে সেটিকে হিসাবের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে কোনো ঋণ বা বকেয়া দায় থাকলে তা কেটে রাখা হবে। তবে যারা এই মুহূর্তে টাকা না তুলে হিসাব চালু রাখবেন, তারা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নিয়মিত মুনাফা পেতে থাকবেন। আর কেউ যদি মেয়াদি আমানত মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই ভেঙে ফেলেন, তবে তিনি শুধু মূল টাকাই ফেরত পাবেন, কোনো মুনাফা প্রযোজ্য হবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে সম্প্রতি গ্রাহকদের মাঝে এই অর্থ পরিশোধের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ব্যাংকগুলোর শাখা ও উপশাখায় গ্রাহকদের ভিড় এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যাদের জরুরি প্রয়োজন নেই, তাদের প্রথম দিকে ভিড় না করে পরবর্তীতে ধাপে ধাপে টাকা তোলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নিশ্চিত করেছেন যে আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com