রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
Title :
আসামিদের গতিবিধি সন্দেহজনক, নাশকতা ঘটাতে পারে: চিফ প্রসিকিউটর র‍্যাব পরিচয়ে মেসে ঢুকে জবি ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা কুড়িগ্রামের তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের পাহাড়সম অভিযোগ শেরপুর সদর হাসপাতালে টেকনিশিয়ানের ওপর হামলা: মূল অভিযুক্ত আরাফাত গ্রেপ্তার ভূরুঙ্গামারীতে তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে মাদকাসক্তের দেওয়া আগুনে পুড়ে ছাই ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩ কোটি টাকা ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১১৩ জনের, সেপ্টেম্বরের শেষে প্রকোপ আরও বাড়বে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ফোন করছে আটকেপড়া শিক্ষার্থীরা গভর্নর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট খারিজ দিল্লিতে ধসে পড়েছে ৬ তলা ভবন, বহু শিক্ষার্থী আটকা পড়ার শঙ্কা

ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২% শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ Time View
17

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক পিএলসির বিশাল পরিমাণ শেয়ার অবরুদ্ধ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকটির মোট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ২৪টি বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে বেআইনিভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে। এই অনিয়ম ও একচ্ছত্র আধিপত্যের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছিল। ইসলামী ব্যাংকের মূল স্পনসর শেয়ারহোল্ডার প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরো (আইইআরবি) এই রিট মামলাটি দায়ের করে। রিটকারীর পক্ষে আদালতে আইনি লড়াই পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মো. লুৎফর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ গত ৩০ আগস্ট এ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি রুল জারি করেন। আদালত তার রুলে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১৪ক ও ১৪খ ধারার বিধান লঙ্ঘন করে এত বিপুল পরিমাণ শেয়ার এককভাবে কুক্ষিগত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিশেষ করে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং আইন অনুযায়ী ওই শেয়ারগুলো কেন বাজেয়াপ্ত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব তলব করা হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক আইনি বিধান অনুযায়ী, একই পরিবারের বা গ্রুপের মালিকানাধীন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হাতে কোনো একটি ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার রাখার কোনো সুযোগ বা আইনি বৈধতা নেই। কিন্তু রিট আবেদনে স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে যে, ইসলামী ব্যাংকের ২৪টি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার প্রতিষ্ঠান সরাসরি এস আলম গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত এবং এই মাধ্যমেই ব্যাংকটির সিংহভাগ মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বর্তমান ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফেরানো এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই শেয়ারগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা অত্যন্ত জরুরি বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

আদালত সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে অভিযুক্ত ২৪টি কোম্পানির নামে নিবন্ধিত ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার তিন মাসের জন্য ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে উল্লিখিত শেয়ারগুলো কোনোভাবেই হস্তান্তর, বিক্রয় কিংবা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় হাতবদল করা সম্ভব হবে না। আর্থিক খাতের বড় এই প্রতিষ্ঠানে এস আলমের আধিপত্য হ্রাসের এই পদক্ষেপটিকে দেশের ব্যাংকিং খাতের সংস্কার প্রক্রিয়ায় একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com