রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
Title :
কে এই সারাহ খলিফা? আসামিদের গতিবিধি সন্দেহজনক, নাশকতা ঘটাতে পারে: চিফ প্রসিকিউটর র‍্যাব পরিচয়ে মেসে ঢুকে জবি ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা কুড়িগ্রামের তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের পাহাড়সম অভিযোগ শেরপুর সদর হাসপাতালে টেকনিশিয়ানের ওপর হামলা: মূল অভিযুক্ত আরাফাত গ্রেপ্তার ভূরুঙ্গামারীতে তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে মাদকাসক্তের দেওয়া আগুনে পুড়ে ছাই ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩ কোটি টাকা ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১১৩ জনের, সেপ্টেম্বরের শেষে প্রকোপ আরও বাড়বে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ফোন করছে আটকেপড়া শিক্ষার্থীরা গভর্নর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট খারিজ

ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ফোন করছে আটকেপড়া শিক্ষার্থীরা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ Time View
14

ভারতের রাজধানী দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় একটি ছয়তলা আবাসিক ভবন আকস্মিকভাবে ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের অত্যন্ত নিকটবর্তী এই ভবনটি ‘হোস্টেল ডেজ’ নামে পরিচিত ছিল এবং এটি মূলত কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য পেয়িং গেস্ট বা পিজি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ছুটির দিনে দুপুরের দিকে হঠাৎ এই দুর্ঘটনা ঘটে যা স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে ভবনটির বেসমেন্টে নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে কোনো সংস্কার বা খনন কাজ চলছিল যার জেরে এই বিপর্যয় ঘটে থাকতে পারে।

দুর্ঘটনার পরপরই ধসে পড়া ভবনের বিশাল ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বহু শিক্ষার্থী মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় বিধায়ক অনিল শর্মা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে আটকে থাকা তরুণ-তরুণীদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি ফোন কলগুলো উদ্ধারকর্মীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার ফলে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মানুষ অবরুদ্ধ হয়ে আছেন বলে প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভেতরে আটকে থাকা শিক্ষার্থীদের সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করতে তাদের মোবাইল ফোনের সিগন্যালকে কাজে লাগানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দিল্লি পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বা এনডিআরএফ-এর বিশেষ দল। আটকে পড়া মানুষদের দ্রুত ও নিরাপদে বের করে আনতে সেখানে অন্তত ১২টি ফায়ার ইঞ্জিন এবং ভারী এক্সকাভেটর বা মাটির কাটার যন্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন আহত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটবর্তী এইমস ট্রমা সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে উদ্ধারকৃতদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক এবং তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর পরই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশিস সুদ পুরো পরিস্থিতির ওপর অত্যন্ত সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে যে ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা প্রতিটি মানুষকে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করাই বর্তমানে প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও চিকিৎসা দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ভবন নির্মাণে কোনো ধরনের নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেছিল কিনা এবং এই দুর্ঘটনার জন্য কারা দায়ী, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com