ইমাম হাছাইন পিন্টু, নাটোর
স্বামীর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ইয়াসমিন নাহার শাপি (৪৫) নামের এক স্কুলশিক্ষিকা। নাটোরের গুরুদাসপুরে কাভার্ডভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হওয়ার পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত ইয়াসমিন নাহার শাপি গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বারিষ্যা গ্রামের অ্যাডভোকেট হোসেন সবুজের স্ত্রী এবং আমরাইদ ইয়াকুব আলী শিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষিকা শাপির স্বামী রফিকুল ইসলাম (৫০) মারা যাওয়ার পর তাঁর মরদেহ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে বড়াইগ্রামের দিকে রওনা হয়েছিলেন। সোমবার (নির্দিষ্ট দিনে) পথিমধ্যে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার তামালবাড়িয়া এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে ওই অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ বেশ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন।
আহতদের মধ্যে ইয়াসমিন নাহার শাপি ছাড়াও নুরুল নাহার লিপি, খারুন নাহার সম্পা, নূর আলম, আলমতাজ হোসেন সবুজ ও নিয়াম নামের কয়েকজন ছিলেন। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিক্ষিকা শাপির মৃত্যু হয়।
বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই কাভার্ডভ্যানের চালক পালিয়ে গেলেও দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।