মিয়ানমার সরকার বিদেশে অবস্থানরত বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের সম্মানের সাথে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্বকে আবারও অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ১৫০০ নাগরিককে প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতির মধ্যে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা রোহিঙ্গা পরিচয়ের কোনো অস্তিত্ব দেশটিতে কখনোই ছিল না। এছাড়াও, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবস’-এর কঠোর সমালোচনা করেছে তারা।জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের মতে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মতো উপযুক্ত পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি। মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাদের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে এমন কাউকে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানো হবে না। তবুও মিয়ানমারের এমন কঠোর ও অনমনীয় অবস্থানের কারণে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা...
2
মিয়ানমার সরকার বিদেশে অবস্থানরত বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের সম্মানের সাথে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্বকে আবারও অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ১৫০০ নাগরিককে প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতির মধ্যে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা রোহিঙ্গা পরিচয়ের কোনো অস্তিত্ব দেশটিতে কখনোই ছিল না। এছাড়াও, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবস’-এর কঠোর সমালোচনা করেছে তারা।
জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের মতে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মতো উপযুক্ত পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি। মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাদের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে এমন কাউকে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানো হবে না। তবুও মিয়ানমারের এমন কঠোর ও অনমনীয় অবস্থানের কারণে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।