শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
Title :
লেডি গাগার ঘরে নতুন অতিথি, ৪০ বছরে মা হলেন গায়িকা ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ শুক্রবার এলেই বদলে যায় জয়দেবপুর স্টেশন, মাদুরে বসে স্বপ্ন বোনে শত পথশিশু রিশাদ-আলিসের ঘূর্ণিতে দ. আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের দাপুটে জয় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী মোদী-শি জিনপিং বৈঠক: সীমান্ত, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে গুরুত্ব ইয়েমেনে অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা বিনা টিকিটে ভ্রমণের অনুশোচনা, রেলকে ২৫ হাজার টাকা দিলেন শিক্ষিকা শচিনের আরও একটি বিশ্বরেকর্ড হাতছাড়া, ইতিহাস গড়লেন রুট চাঁপাইনবাবগঞ্জে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ১০ জন ভারতে উদ্ধার, নিখোঁজ ১

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৫ Time View
22

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অতিরিক্ত পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ বা অ্যামচ্যামের সঙ্গে যৌথভাবে এই বড় অংকের বৈদেশিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অ্যামচ্যামের তিন দশকপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ দুই দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ইতোমধ্যে তেরো বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে এবং মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের অর্থনীতিতে জোরালো ভূমিকা রেখে চলেছে। বর্তমান সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে দেশীয় বাজারে ইতোমধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ অর্জিত হয়েছে, যা জাতীয় রাজস্ব আহরণে বিশ শতাংশেরও বেশি অবদান রাখছে। সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, মার্কিন বিনিয়োগকারীদের এই অব্যাহত আস্থাকে কাজে লাগিয়ে নতুন খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উন্নত প্রযুক্তির বিস্তার ঘটানো সম্ভব হবে।

বিনিবেশবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির ওপর বিশেষ জোর দিয়ে মন্ত্রী জানান যে, উদ্যোক্তাদের যেকোনো বাস্তবসম্মত সমস্যা সমাধানে তাঁর মন্ত্রণালয় সবসময় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে পাশে থাকে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি কর্টেভা বাংলাদেশের একটি লাইসেন্স সংক্রান্ত জটিলতা সরকারি হস্তক্ষেপে স্বল্পতম সময়ে নিরসনের প্রসঙ্গটি তুলে ধরেন। কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান, বিশাল তরুণ জনশক্তি এবং বর্ধিত অভ্যন্তরীণ বাজারের কারণে বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তবে কেবল সুযোগ থাকাই যথেষ্ট নয়, বরং ব্যবসায়িক পূর্বাভাসযোগ্যতা এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

বর্তমান প্রশাসন ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া আরও সহজতর করতে ডিজিটালাইজেশন এবং বাণিজ্য সুবিধা সম্প্রসারণের কাজ নিরলসভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও গভীর হবে এবং বাংলাদেশি পণ্যের মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার আরও সুগম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। এই সামগ্রিক লক্ষ্য অর্জনে সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তা এবং অ্যামচ্যামের মতো বাণিজ্য সংগঠনগুলোকে আরও ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com