সরকার কর্তৃক জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদনের পর থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, নতুন এই পে-স্কেলের আওতায় এমপিওভুক্তরা অন্তর্ভুক্ত হবেন কি না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে দেশের প্রায় সোয়া ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং তাদের নতুন পে-স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন যেন সরকারি চাকরিজীবীদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্যও দ্রুত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ব্যানবেইসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মাধ্যমিক, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা মিলিয়ে বিশাল সংখ্যক শিক্ষক সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত হয়ে কর্মরত রয়েছেন।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘ সময় ধরে নামমাত্র বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা পেয়ে আসছিলেন। সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার তাদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা দুই ধাপে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এখন নতুন বেতন স্কেলের সুবিধা পাওয়ার প্রত্যাশায় সংশ্লিষ্টরা সরকারের সদয় বিবেচনার অপেক্ষায় রয়েছেন।