রাজধানীর বনানী এলাকায় অবস্থিত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের চাঞ্চল্যকর ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। আলোচিত এই হত্যা মামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে মূল সন্দেহভাজন বাসচালকসহ মোট তিনজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে তাদের আইনের আওতায় আনা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
নিহত ইসমাইল হোসেনের পরিবার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গত কিছুদিন আগে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছিল। পরবর্তীতে বনানী এলাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে ছায়া তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের একপর্যায়ে প্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে র্যাব-১ এর একটি দল। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত বাসচালক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র্যাব। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুজনকে আটক করা হয়, যারা এই অপরাধের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের পেছনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে র্যাব। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না এবং এর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।