বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
Title :
মাঠপর্যায়ে তীব্র সার সংকটে কৃষকরা হাহাকার করছেন: সংসদে শফিকুল ইসলাম সারের কোনো সংকট নেই, ঘাটতি অভিযোগ সঠিক নয়: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু বিএনপিকে নিয়ে রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে হট্টগোল উনি কি গালি দিলেন না দোয়া, কিছুই বুঝলাম না: রুমিন প্রসঙ্গে শফিকুর বদলি আদেশের পরও থানা ছাড়ছেন না ওসি নবগঙ্গা নদীতে জমজমাট নৌকাবাইচ, উৎসবে মুখরিত পুরো এলাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ বৃষ্টিতে ভেসে গেলো ফাইনাল, শিরোপা জিতলো অনূর্ধ্ব-১৯ দল সর্বোচ্চ রান করা জারিফ যা যা শিখলেন জিডি টুর্নামেন্ট থেকে

উনি কি গালি দিলেন না দোয়া, কিছুই বুঝলাম না: রুমিন প্রসঙ্গে শফিকুর

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০ Time View
17

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আইনপ্রণেতাদের তৈরি করা তীব্র হট্টগোলের কারণে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান কোনো কথাই পরিষ্কার শুনতে পাননি বলে জানিয়েছেন। সম্প্রতি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের এক বৈঠকে এই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার নির্ধারিত বক্তব্য দেওয়ার সময় চারপাশের হৈচৈয়ের জেরে এই পরিস্থিতির তৈরি হয়। ফলে ওই সময় রুমিন ফারহানা কী বিষয়ের ওপর আলোকপাত করছিলেন, তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

সংসদে কোনো সদস্যের বক্তব্য জোরপূর্বক থামিয়ে দেওয়া বা শোরগোল করে তা ঢেকে দেওয়াকে সম্পূর্ণ সংসদীয় রীতির পরিপন্থি বলে উল্লেখ করেন শফিকুর রহমান। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান যে, দেশের যেকোনো সংসদ সদস্যের নিজ কথা বলার যেমন সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে, ঠিক তেমনি অন্য সদস্যদেরও সেই বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার বড় দায়িত্ব রয়েছে। যদি কোনো সংসদ সদস্যের বক্তব্যে কোনো অসংসদীয় ভাষা বা আপত্তিকর বিষয় চলে আসে, তবে তার সুনির্দিষ্ট নিয়মতান্ত্রিক প্রতিকার রয়েছে বলেও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজের ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রুমিন ফারহানা বক্তব্য রাখার সময় উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে তিনি মোটেও বুঝতে পারেননি যে তিনি আসলে গালি দিয়েছেন নাকি দোয়া করেছেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, গত কয়েকদিন আগেও এ ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ধরনের বিশৃঙ্খলার ফলে ওই সংসদ সদস্য তার কথা বলার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন কি না এবং এর সঠিক রেকর্ড কীভাবে সংরক্ষিত হবে, সেই প্রশ্নও তিনি উত্থাপন করেন।

সংসদের ভেতরে মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা বজায় রাখা এবং কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য স্পিকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, কোনো সদস্যের বক্তব্যের ব্যাপারে যদি কোনো অমিল বা দ্বিমত থাকে, তবে স্পিকারের আসন থেকে সুনির্দিষ্ট রুলিং আসতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা দাঁড়িয়ে তার জবাব দিতে পারেন। কিন্তু এভাবে পুরো বক্তব্য হট্টগোলের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য কোনো ইতিবাচক বার্তা বহন করে না বলে তিনি মনে করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com