ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাদের মধ্যকার প্রথম বৈঠক। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের
বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে। তবে, এ বিষয়ে এখনো দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো
সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সৌজন্যমূলক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত দুই দেশের
দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে আগামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিনি বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। এই বিষয়টি সাম্প্রতিক
বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন তা নিয়ে দেশজুড়ে চলছে ব্যাপক কৌতূহল ও বিশ্লেষণ। রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়িত্ব ও ক্ষমতার পরিধি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে এই গুরুত্বপূর্ণ পদের আইনি
ফরিদপুরের সদরপুরে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি বিপুল অর্থ ব্যয়ে আয়োজিত
জ্বালানি খাতের আমদানি, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনের দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার সরকারি উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন,
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিষিদ্ধঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করার লক্ষ্যেই
বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম সফরের শেষ পর্যায়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি বিশেষ সাংগঠনিক সভা করেছেন। রোববার রাতে নগরের রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত এই সভায় মহানগর, উত্তর ও
আসন্ন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে। এই আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে মোট ছয়টি পৃথক