রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে সম্প্রতি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর পর থেকেই তার নিরাপত্তা বহর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের এই সফরকে কেন্দ্র করে দিল্লির
ইয়েমেনের বিদ্রোহী হুথি বাহিনী কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে আরও জোরালো করেছে। এই জলপথের ভেতরে অবস্থিত অত্যন্ত সংবেদনশীল পেরিম দ্বীপটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে শক্তিশালী
ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি বিমান হামলা চালানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস-এর সাম্প্রতিক এক
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। গত সপ্তাহে যুবরাজ এই উদ্দেশ্যে ট্রাম্পকে পরপর দুইবার টেলিফোনে আলাপ
বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এক প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে বৈঠকে মিলিত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় দুই দেশের ঐতিহ্যগত ও
দীর্ঘ সাত বছরের দীর্ঘ বিরতির পর ভারতের মাটিতে পা রাখতে চলেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই উচ্চপর্যায়ের সফরটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে
নিউইয়র্কে সংঘটিত ঐতিহাসিক সেই হামলার প্রায় আড়াই দশক অতিক্রান্ত হলেও বৈশ্বিক নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা কাঠামোর ওপর তার গভীর প্রভাব এখনো স্পষ্ট। একুশ শতকের শুরুর দিকে ঘটে যাওয়া ওই ভয়াবহ সকালটি
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর একটি মোড় পরিবর্তনকারী দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে, যা বিশ্বরাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল। ওই দিন নিউ ইয়র্কের আইকনিক ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের জমজ ভবনে মাত্র
দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপ, একাকিত্ব ও নানা ধরনের ক্লান্তি থেকে সাময়িক মুক্তির জন্য মানুষ নানা উপায় বেছে নেন। কেউ গান শুনে, কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে মন হালকা করার চেষ্টা
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত বুকাভু শহরে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ২৯ শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় গত ১০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কিভু প্রদেশের