পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মক্কা চুক্তিকে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে অভিহিত করেছেন। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মুসলিম দেশগুলোর এই পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সমঝোতাকে বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে দেখছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, এটি মুসলিম বিশ্বের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এতে অন্য কারো উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
চুক্তিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ একান্তই সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে। উল্লেখ্য, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পাদিত এই চুক্তির আওতায় যেকোনো এক দেশের ওপর আক্রমণকে তিন দেশের ওপর সম্মিলিত আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যেই এই জোট গঠিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগদান সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক উত্তজনা সৃষ্টির সম্ভাবনা নিয়েও সতর্কবার্তা রয়েছে। সামগ্রিকভাবে, মক্কা চুক্তি বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মুসলিম দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান ঐক্য ও কৌশলগত সংহতির এক নতুন বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।