রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বিস্তৃত মেট্রোরেল রুটের পুরো এলাকার নিচে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে কি না এবং সেগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে কি না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই সংক্রান্ত একটি শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মেট্রোরেল প্রকল্পের পরিচালককে আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খসে পড়ে এক পথচারীর মৃত্যুর ঘটনার পর জনস্বার্থে তিনটি পৃথক রিট দায়ের করা হয়। মামলার শুনানিকালে আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে, মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও জননিরাপত্তা এবং প্রতিটি মানুষের জীবনের মূল্য অপরিসীম। আদালত বিশেষ করে সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে স্যাবোটাজ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সিসিটিভি মনিটরিংয়ের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।
আইনজীবী তানভীর আহমেদ জানান, বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মেট্রোরেলের পিলারসহ বিভিন্ন কারিগরি ত্রুটি মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পুরো রুটের নিচের অংশ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকা জরুরি। আগামী শুনানির দিন মেট্রোরেলের ভিজিলেন্স টিম কীভাবে কাজ করছে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আদালতকে বিস্তারিত জানাতে হবে।