দেশের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারে প্রতি বছর যে বিপুল সংখ্যক গ্র্যাজুয়েট প্রবেশ করে, তাদের ৭০ শতাংশই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি ও তাদের কর্মোপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইউনিসেফের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে দুই প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
সভায় ‘ট্রান্সফর্মিং হায়ার এডুকেশন ফর এ স্কিলড, ডিজিটাল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল একাডেমি গঠন, কারিকুলাম আধুনিকায়ন এবং আইসিটি ও ডিজিটাল কনটেন্ট উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ডিগ্রিধারীদের চাহিদা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় ইউনিসেফকে প্রধান সহযোগী হিসেবে পাশে চায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
ইউনিসেফের গ্লোবাল টিমের সিনিয়র উপদেষ্টা থমাস মাইকেল বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং আধুনিক কর্মমুখী শিক্ষার সুযোগ প্রসারে ইউনিসেফ তাদের অংশীদারত্ব বজায় রাখবে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।