মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
Title :
হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে অনড় সরকার, ভারতের কাছে প্রত্যাশা ‘মুখ বন্ধ রাখা’ ইতালিতে হামলা, শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার বাঁধন দেশে নিরক্ষর প্রায় পৌনে ৪ কোটি মানুষ স্ত্রীকে কখনো নিজের মেয়ে, আবার কখনো ভাতিজি বলে বিয়ে দিতেন স্বামী শেরপুরে বর্ণিল আয়োজনে ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন তিন বছরের শিশুর মতো দেখতে ১৭ বছরের ইয়াসিন, দুঃখই যেন তার জীবনসঙ্গী ইতালিতে জুলাই যোদ্ধা আজমিরী হক বাঁধন কাণ্ড: বহির্বিশ্বে আমাদের আত্মসম্মান কোথায়? ঘটক এখন অতীত, সঙ্গী খোঁজার নতুন ট্রেন্ড ‘পিচ-এ-ফ্রেন্ড’ ‘এদের কাছে বাচ্চার কান্নাও কিছু না’, বাঁধনকে হেনস্তায় পরীমনির ক্ষোভ কুমিল্লায় বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২০ শিক্ষার্থী আহত

হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য, ক্রসফায়ারে জড়িত ২ এএসআই

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ Time View
8

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে নিজেদের জবানবন্দি পেশ করেছেন পুলিশ কনস্টেবল মো. সহিদুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারিক প্যানেলে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ জবানবন্দি প্রদান করেন। আদালতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি হত্যাকাণ্ডের দিন ও এর পরবর্তী সময়ে শোনা নানা চাঞ্চল্যকর তথ্যের বিবরণ তুলে ধরেন।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সাক্ষী সহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন যে, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতের বেলা গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস এলাকায় টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা নামের দুই রাজনৈতিক কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। নিহত টিপু হাওলাদার আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কবির মোল্লা একই উপজেলার জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকতে না পেরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমেই ওই দুই নেতাকে হত্যার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে সাক্ষী জানান যে, হত্যাকাণ্ডের ওই সময়টিতে তিনি বরিশাল জেলা পুলিশ লাইনের মোটরযান শাখায় কর্মরত ছিলেন এবং এর আগে উজিরপুর থানায় ড্রাইভার কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। অফিসসূত্রে এবং থানার সহকর্মীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছিলেন যে, আগৈলঝাড়া থানা এলাকার স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা ওই ‘ক্রসফায়ার’ বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে অংশ নিতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে স্থানীয় থানার অনিচ্ছার কারণে উজিরপুর থানা থেকে বিশেষভাবে দুই জন সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) সেখানে নিয়ে আসা হয় এবং তাদের মাধ্যমেই মূলত হত্যাকাণ্ডটি বাস্তবায়ন করা হয়।

এই মামলার প্রধান অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, তৎকালীন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার দুই সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন। অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে এএসআই মাহাবুল ও জসিম বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার রয়েছেন। সাক্ষ্য প্রদানকারী কনস্টেবল সহিদুল ইসলাম আদালতকে নিশ্চিত করেছেন যে, উজিরপুর থেকে আনা সেই দুই এএসআই হলেন এই মাহাবুল ও জসিম উদ্দিন। বিচারিক এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এই হত্যার পেছনের নেপথ্য কারিগর ও অংশগ্রহণকারীদের ভূমিকা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com