আমদানি কার্যক্রমকে আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল করতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার সকল নির্দেশনা একত্রিত করে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত এই নতুন প্রজ্ঞাপনে স্বর্ণ, রুপা, গহনা ও বৈদেশিক মুদ্রার নোট আমদানির পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ডকুমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ এবং রপ্তানি আয় ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন এই কাঠামোতে ঋণপত্র (এলসি) খোলা, অগ্রিম অর্থ প্রদান, ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি সুবিধা এবং বিভিন্ন মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার পদ্ধতি বিশদভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গত এক বছরে আমদানি সংক্রান্ত যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোকে একটি একক সার্কুলারের আওতায় আনা হলো। ১৯৫৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের ক্ষমতাবলে কার্যকর হওয়া এই নিয়মাবলী আগামী এক বছর পর্যন্ত বহাল থাকবে।
বাণিজ্যিক মহলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, ডিজিটাল ডকুমেন্টেশন ও বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থা প্রবর্তন আমদানি প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা আনবে। তবে এই নীতিমালার সফল বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংক ও আমদানিকারকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় ডিজিটাল অবকাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।