সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদে আয়োজিত সালিশি বৈঠক নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জি এম মাছুদুল আলমসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন হাফেজ আবুল বাশার নামের এক ব্যক্তি। তার অভিযোগ, সালিশের নামে চেয়ারম্যান একপক্ষের পক্ষ নিয়ে তাকে ও তার ছেলেকে মারধর ও লাঞ্ছিত করেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত গত আগস্ট মাসে, যখন আবুল বাশার তার দাবিকৃত জমিতে ধান রোপণ করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউনিয়ন পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় যে, ধান কাটার পর তা পরিষদের তত্ত্বাবধানে রাখা হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করে তা হস্তান্তর করা হবে। তবে আবুল বাশার এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দাবি করেন যে, তার নামে রেকর্ডভুক্ত জমি থাকা সত্ত্বেও কেবল তার অংশটিই কেন পরিষদের নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে, তা ন্যায়সংগত নয়।
এদিকে চেয়ারম্যান জি এম মাছুদুল আলম মারধর ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই ছিল পরিষদের মূল লক্ষ্য। উল্টো মামলার বাদীর বিরুদ্ধেই সালিশি কার্যক্রমে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। বর্তমানে উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে পুরো বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।