রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
Title :
ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে সংঘর্ষ, বিএনপি-এনসিপির নেতাকর্মীসহ আহত ৭ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকার ব্যর্থ হলে এক দফার আন্দোলনে যাবো রুমের জানালা খোলা রেখে টিভি দেখছিলেন গৃহবধূ, হঠাৎ শরীরে এসে লাগে গুলি সাভারে মাদরাসায় ৬ মাস ধরে যৌন নির্যাতন চলে ৭ বছরের শিশুর ওপর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তামীরুল মিল্লাত ছাত্রী শিশুশিল্পী তাহিরার মৃত্যু দক্ষিণখানে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেফতার শিক্ষক রনজিলা নিহত: রিমান্ড শেষে ৩ আসামি কারাগারে শাপলা চত্বর থেকে লালদীঘি, শেষ হলো ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চ বনানী এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ: পরিবহন চালকসহ গ্রেফতার ৩ বিএনপি সরকারের সঙ্গে বাকশালের কোনো পার্থক্য নেই: কর্নেল অলি

সাভারে মাদরাসায় ৬ মাস ধরে যৌন নির্যাতন চলে ৭ বছরের শিশুর ওপর

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩ Time View
9

সাভারের একটি মাদরাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুর ওপর দীর্ঘ সময় ধরে ভয়াবহ যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। চলতি বছরের শুরুতে শিশুটির বাবা-মা তাকে স্থানীয় একটি মাদরাসায় আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি করেছিলেন। কিন্তু ভর্তির মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর থেকেই মাদরাসার ভেতর ওই শিশুটির ওপর শারীরিক নির্যাতন ও নিপীড়ন শুরু হয়। অসহায় শিশুটিকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে এই জঘন্য অপরাধের শিকার বানানো হয়, যা টানা কয়েক মাস ধরে অব্যাহত ছিল।

মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রথমে বয়সের বড় এক সহপাঠী এই কুকর্মে লিপ্ত হয় এবং পরবর্তীতে বিষয়টি অন্য এক শিক্ষার্থী জানতে পেরে সেও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এভাবে একাধিক কিশোর শিক্ষার্থী এবং কিছু শিক্ষকের মাধ্যমে শিশুটি দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে বাধ্য হয়। মাদরাসার ভেতরে ঘটে চলা এই বর্বরোচিত ঘটনাটি একপর্যায়ে জানাজানি হলে ভুক্তভোগীর পরিবারে নেমে আসে চরম শোক ও ক্ষোভ। পরবর্তীতে গত আগস্ট মাসের শেষভাগে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ঢাকার একটি আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনায় পুলিশ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযান পরিচালনা করে মোট পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মক্তব বিভাগের এক সহকারী শিক্ষক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। অপরদিকে, মামলার অন্য এক শিক্ষক আসামিকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বয়স কম হওয়ায় শিশু অভিযুক্তদের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় আসামিদের আদালতে হাজির করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

এদিকে মামলার পর থেকে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পরিবারটিকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং বিভিন্ন অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। অন্যদিকে আদালত এই চাঞ্চল্যকর মামলার এজাহার গ্রহণ করে আগামী ১৩ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত বাকি আসামিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com