শেরপুর সদর উপজেলার দশকাহনীয়া বালিকা দাখিল মাদরাসার করুণ চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। কাগজে-কলমে ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী থাকলেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে মাদরাসার মাঠটি গরু চড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং কোনো শ্রেণিকক্ষ না থাকায় পাঠদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। সদ্য প্রকাশিত দাখিল পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ২২ জন শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি।
মাদরাসার সুপার মাওলানা আশরাফ আলী দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে এটি পরিচালনার দাবি করলেও, স্থানীয়রা জানান বিগত কয়েক বছর ধরে সেখানে কোনো কার্যক্রম নেই। এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং আর্থিক সংকটের কারণে শিক্ষকরা নিরুৎসাহিত হয়ে অন্য পেশায় যুক্ত হয়েছেন। তবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান জানান, প্রতিষ্ঠানটি নন-এমপিও হওয়ার কারণেই এই বেহাল দশা এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে কঠোর নজরদারি করা হবে।