নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে একই ব্যক্তির নামে তিনটি ভিন্ন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সক্রিয় থাকার সুযোগে ব্যাংক থেকে ৮২ লাখ টাকা আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। মো. মেহেদী হাসান নামের এক ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে সিটি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে ঋণ ও ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা নিয়ে এই জালিয়াতি করেছেন। বিষয়টি ধরা পড়ার পর সিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আদালত এই জালিয়াতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন। বিচারক মো. জাকির হোসাইন স্পষ্ট জানিয়েছেন, একজনের নামে তিনটি এনআইডি থাকা কোনোভাবেই সাধারণ ঘটনা নয় এবং এটি একা করা সম্ভব নয়। এ ঘটনার পেছনে নির্বাচন কমিশনের কোনো অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশ আছে কি না কিংবা ব্যাংকের ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে জড়িতদের কোনো ভূমিকা রয়েছে কি না, তা সিআইডিকে তদন্ত করে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্তের আওতায় রয়েছেন মেহেদী হাসানসহ তার ঋণের গ্যারান্টররা এবং নির্বাচন কমিশনের অজ্ঞাতনামা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এদিকে, আসামী দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। বর্তমানে মামলাটি উত্তরা পশ্চিম থানায় এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং সিআইডিকে সার্বিক তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।