শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন

দুদক আইনের মামলা থানায় রেকর্ড নিয়ে ধোঁয়াশা!

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ Time View
2

অগ্রণী ব্যাংকের চট্টগ্রামের লালদীঘি শাখা থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাংকের ক্যাশ ইনচার্জ কামরুল হোসেনসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও মামলার প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে গভীর সন্দেহ ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের করা এই আর্থিক জালিয়াতির মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনের আওতায় হওয়ার কথা থাকলেও থানায় সাধারণ ধারায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে, যা আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে আইনসিদ্ধ নয়।

বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের মতে, সরকারি সম্পদ বা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধ। অথচ পুলিশ থানায় যে মামলা নিয়েছে, সেখানে মানি লন্ডারিং বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মামলার এজাহারে আসামি কামরুল হোসেনের পেশাগত পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে, যা তদন্তকে প্রভাবিত করার একটি অপচেষ্টা বলে মনে করছেন অনেকে। এদিকে, দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে ভল্ট থেকে টাকা সরানোর বিষয়টি শাখার ব্যবস্থাপকের অগোচরে থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে, কারণ ভল্টের চাবি ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সাধারণত ব্যবস্থাপক ও ক্যাশ ইনচার্জের যৌথ দায়িত্বে থাকে।

ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। যদিও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দাবি, তদন্তে দুদকের আওতাভুক্ত কোনো উপাদান পাওয়া গেলে মামলাটি পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সংস্থায় হস্তান্তর করা হবে। তবে দুদক কর্মকর্তাদের মতে, এ ধরনের জালিয়াতির মামলা শুরু থেকেই দুদকের এখতিয়ারভুক্ত, তাই থানা পুলিশের এই মামলার বৈধতা নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com