মালয়েশিয়ায় জনশক্তি পাঠানোর নামে প্রায় ৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটস’ নামক রিক্রুটিং এজেন্সির চেয়ারম্যান গোলাম মাওলাসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ শ্রমিকদের কাছ থেকে আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়াগামী কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট করে নির্ধারিত খরচের বাইরে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে প্রায় ১০০টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে দুদক অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এর আগে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে ২৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় রিক্রুটিং এজেন্সির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পর্যায়ক্রমে তলব ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় গোলাম মাওলা অভিযোগের ভিত্তি নেই বলে দাবি করলেও, অনিয়মের কিছু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় জড়িত এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম, শ্রমিকদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের পরিমাণ এবং সেই অর্থ কোথায় সরানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।