শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
Title :
২০১৬-১৭ মৌসুমের চেলসির শিরোপা টটেনহামকে দেওয়া উচিৎ সংসদীয় কমিটি গঠনে ‘স্পিরিট অব পার্লামেন্ট’ বিবেচনার আহ্বান নাহিদের হেবার সংশোধন আইন দ্রুত বাতিল কর‌তে হ‌বে: মুফতি ফয়জুল করিম সংসদে বক্তব্যে বাধা, গালাগালি গণতান্ত্রিক রীতির বাইরে: রুমিন ফারহানা বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার এক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্ত বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছে হুথিরা পঞ্চগড়ে সিম বিক্রির আড়ালে প্রতারণা, ভুয়া ব্র্যান্ড প্রোমোটার আটক জাতীয় ক্রাইসিস রেসপন্স সিস্টেম গঠনের দাবি বিভিন্ন সংগঠনের

জনতা ব্যাংকের আমিরাত কার্যক্রম ধরে রাখতে ৩০ কোটি দিরহাম দিলো সরকার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ Time View
3

সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের কার্যক্রম সচল ও অব্যাহত রাখতে বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে সরকার। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত মূলধনের ঘাটতি পূরণের উদ্দেশ্যে ব্যাংকটিকে ৩০ কোটি দিরহাম সমপরিমাণ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে, যার বাংলাদেশি মুদ্রায় আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৩ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আমিরাতে পাঠানোর জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। মূলত বিদেশের মাটিতে ব্যাংকিং কার্যক্রমের আইনি বাধ্যবাধকতা ও নীতিমালা মেনে চলার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিদেশি ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হলে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি দিরহাম থাকতে হয়। তবে জনতা ব্যাংকের কাছে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ১০ কোটি দিরহাম, যার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে ৩০ কোটি দিরহামের মূলধন ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এই ঘাটতির কারণে আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনতা ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর নানা ধরনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। এমনকি ব্যাংকটির শাখাগুলো গুটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি নতুন হিসাব খোলা ও অর্থ উত্তোলনের ওপরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল।

সরকারের এই সময়োপযোগী মূলধন সহায়তার ফলে আবুধাবি, দুবাই, শারজাহ এবং আল আইনে অবস্থিত জনতা ব্যাংকের চারটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই শাখাগুলোর মাধ্যমেই মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিরাপদে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আসছেন এবং নানাবিধ ব্যাংকিং সুবিধা ভোগ করছেন। ব্যাংকের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন এবং পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর সরকারের সর্বোচ্চ মহলের অনুমতি সাপেক্ষেই এই অর্থ সফলভাবে আমিরাতে পাঠানো হয়েছে।

১৯৭৬ সাল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সুনামের সঙ্গে ব্যাংকিং সেবা দিয়ে আসছে জনতা ব্যাংক, যার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও প্রবাসীদের লেনদেন সহজতর হয়ে আসছে। এই শাখাগুলোর মাধ্যমে প্রবাসীরা বিভিন্ন হিসাব পরিচালনা ছাড়াও বন্ডে বিনিয়োগ এবং এলসি খোলার মতো বাণিজ্যিক সুবিধা পেয়ে থাকেন। তবে বিদেশের শাখার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ জনতা ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দূর করার জন্যও সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার জোরালো প্রতিশ্রুতি ও ফান্ড কমিটমেন্ট চাওয়া হয়েছে। ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com