চট্টগ্রাম সিএমপি উদ্বোধন করল জাতিসংঘমানের ন্যূনতম বল-প্রয়োগ ও জনসমাবেশ প্রশিক্ষণ
Reporter Name
Update Time :
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
১১
Time View
চট্টগ্রাম সিএমপি উদ্বোধন করল জাতিসংঘমানের ন্যূনতম বল-প্রয়োগ ও জনসমাবেশ প্রশিক্ষণ
চট্টগ্রাম, রোববার, ২৬ জুলাই — চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) পেশাদার, মানবিক ও সেবা-ভিত্তিক পুলিশ বাহিনী গড়ার লক্ষ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে উন্মোচিত এই কোর্সের শিরোনাম: “জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বল প্রয়োগ নীতি এবং জনসমাবেশ ব্যবস্থাপনা।” প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সংযম ও জবাবদিহিতার গুরুত্ব নিশ্চিত করতে পুনরায় প্রশিক্ষণের অপরিহার্যতা তুলে ধরেন। কমিশনার বলেন, জনগণের জীবন-জমি রক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তার পেশাদারিত্ব, সর্বোচ্চ সংযম এবং জবাবদিহিতা বজায় রাখা অপরিহার্য। প্রশিক্ষণের মূল অঙ্গগুলো: ন্যূনতম বল প্রয়োগ নীতি: জাতিসংঘের নির্দেশিকা অনুযায়ী পরিস্থিতি অনুযায়ী ন্যূন্যতম ও...
13
চট্টগ্রাম, রোববার, ২৬ জুলাই — চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) পেশাদার, মানবিক ও সেবা-ভিত্তিক পুলিশ বাহিনী গড়ার লক্ষ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে উন্মোচিত এই কোর্সের শিরোনাম: “জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বল প্রয়োগ নীতি এবং জনসমাবেশ ব্যবস্থাপনা।”
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সংযম ও জবাবদিহিতার গুরুত্ব নিশ্চিত করতে পুনরায় প্রশিক্ষণের অপরিহার্যতা তুলে ধরেন। কমিশনার বলেন, জনগণের জীবন-জমি রক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তার পেশাদারিত্ব, সর্বোচ্চ সংযম এবং জবাবদিহিতা বজায় রাখা অপরিহার্য।
প্রশিক্ষণের মূল অঙ্গগুলো:
ন্যূনতম বল প্রয়োগ নীতি: জাতিসংঘের নির্দেশিকা অনুযায়ী পরিস্থিতি অনুযায়ী ন্যূন্যতম ও আইনসম্মত বল প্রয়োগের কৌশল শেখানো হবে।
জনসমাবেশ ব্যবস্থাপনা: সংঘাত এড়িয়ে পেশাদার আচরণ ও নিয়ন্ত্রিত কৌশলে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করার উপায়।
মানবাধিকার রক্ষা: আইন প্রয়োগের সময় সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখার অনুশীলন।
ব্যবহারিক সেশন: তাত্ত্বিক পাঠের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে করার মতো অনুশীলন ও কেস-স্টাডি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন—
ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ)
মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস)
হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক)
মোঃ ফেরদৌস আলী চৌধুরী, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর)
অনিন্দিতা বড়ুয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), উপ-পুলিশ কমিশনার (ইন-সার্ভিস ট্রেনিং)
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইউনিট থেকে আহ্বায়িত প্রশিক্ষক ও অংশগ্রহণকারী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সিএমপি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে তাদের আচরণগত পরিবর্তন, দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হচ্ছে জনসেবা মনোযোগী policing গড়ে তোলা—যেখানে কঠোর প্রয়োগের বদলে সংযম, মানবতাবাদ ও জবাবদিহিতা প্রধান ভূমিকা নেবে। সিএমপি কমিশনার উদ্বোধনী বক্তৃতায় জানান, নিয়মিত প্রশিক্ষণ ছাড়া আধুনিক ও জনকেন্দ্রিক পুলিশ বাহিনী গড়া সম্ভব নয়।
প্রশিক্ষণ সম্পর্কে আরো তথ্য ও আনুষ্ঠানিক বিবরণ সিএমপি সূত্রে প্রকাশ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি আরও ইউনিটে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা চলছে।