সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
Title :
মিটিং শেষে বাইরে গিয়ে গালিগালাজ করেন পাটওয়ারী, এতে আমরা অভ্যস্ত, একদমই ক্ষুব্ধ নই: সিইসি র‌্যাব পরিচালনায় আসছে নতুন আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুসলিম দেশগুলোকে মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল: পেজেশকিয়ান ভারতের সেনাপ্রধানের ‘মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার’ হুঁশিয়ারি, কড়া জবাব পাকিস্তানের আমরা কোনোদিন গণভবনে যাইনি, চুরি করিনি : কারিনার মা আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা ডুয়েটে ভিসির যোগদান ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ১৭ চট্টগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি মোছার প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ, চসিক মেয়রের অস্বীকার ‘আমি আজীবনের আর্জেন্টিনা’—মেসিকে নিয়ে আবেগঘন পরীমনি পথশিশুদের সুরক্ষায় নীতিমালা করতে হাইকোর্টের রুল

চট্টগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি মোছার প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ, চসিক মেয়রের অস্বীকার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ২৪ Time View
33

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাতের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)। রোববার রাতে নগরীর টাইগারপাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে এনসিপি।

এসময় এনসিপি, চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে ‘অবৈধ মেয়র’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘টাইগারপাস থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ফ্লাইওভারের পিলারের গ্রাফিতি মুছে হলুদ ও সাদা রং করা হয়েছে। সেই স্থানে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাথে যোগাযোগ করার কথাও বলা হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয়, সিটি করপোরেশনই গ্রাফিতি মুছে দিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নগরবাসী পানিতে ডুবে যায়, দিনে দুপুরে মানুষকে হত্যা করা হয়, সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলছে- কিন্তু চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে পাওয়া যায় না। তাছাড়া নগরের মোড়ে মোড়ে বিলবোর্ড বসিয়ে মেয়র ব্যবসা করছেন। এতে নগরের সৌন্দর্য ঢেকে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত মেয়রের লোভ এত হয়েছে যে, জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি বিজড়িত গ্রাফিতি মুছে সেখানেও তিনি বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড বসাচ্ছে।’ পরে সেখানে এনসিপি নেতাকর্মীরা পুনরায় গ্রাফিতি অংকন করার ঘোষণা দেন।

তবে এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, নগরীর কোথাও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার কোনো নির্দেশনা তিনি দেননি। মেয়র বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, চট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি সিটি হিসেবে রূপান্তরের লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহ দিয়ে আসছেন। কোনো শিল্পকর্ম, শিক্ষামূলক বা সামাজিক সচেতনতামূলক গ্রাফিতি অপসারণের জন্য মেয়রের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গ্রাফিতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এই ধরনের নির্দেশনা দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কোনো বিভাগ বা শাখা গ্রাফিতি মোছার কার্যক্রম গ্রহণ করেনি। তাই এ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com