নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখা নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে পিরোজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে এই হামলা ও ভাঙচুরের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে হওয়া এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রউফ ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জলিলের সমর্থকদের মধ্যে এই বিবাদ চলছে। হামলার ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। আব্দুর রউফের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, আব্দুল জলিলের দাবি, তাকে আটকে মারধর করায় তার সমর্থকরা তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন।
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু জানান, দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে তৃতীয় কোনো পক্ষ এ ধরনের উসকানিমূলক কাজ ঘটিয়ে থাকতে পারে। এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এ পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। বিষয়টি নিয়ে দলটির ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।