অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে প্রথমবার টেস্ট খেলবেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মেহেদী হাসান মিরাজ। এমনকি বাংলাদেশের হয়ে ১০০ টেস্ট খেলার কীর্তি গড়া মুশফিকুর রহিমের অস্ট্রেলিয়ায় খেলার সুযোগ হয়নি।
স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য তাই প্রথম।
অভিজ্ঞতা থাকবে কি করে? দীর্ঘ ২৩ বছর প্রথমবার অস্ট্রেলিয়া সফরে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। অনভিজ্ঞ হওয়ায় প্রতিপক্ষের সামনে বাংলাদেশ টিকতে পারবে কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্নটা আরও উসকে দিয়েছে প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে অলআউট হওয়ায়।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষেই যখন এমন অবস্থা তখন ‘পেসত্রয়ী’ মিচেল স্টার্ক-প্যাট কামিন্স-জশ হ্যাজেলউডের বিপক্ষে কি করবেন শান্ত-লিটন দাসরা।
বাংলাদেশ পারবে তো ৫ দিন টিকতে? অস্ট্রেলিয়ান সাংবাদিকদের মনেও নাকি তেমনি প্রশ্ন। সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্ন শুনে ইতিবাচক কিছুই বললেন শান্ত। বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেছেন, ‘ খেলোয়াড় হিসেবে পাঁচ দিনই ক্রিকেট খেলতে চাই।
পাঁচ দিন ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। প্রতি সেশন ধরে ধরে খেলতে চাই। যেটা নরমালি আমরা সবসময় বলে থাকি। তাই একেকটা সেশন গুরুত্বপূর্ণ। ৫, ৪ নাকি তিন দিনে শেষ হবে—এই ধরনের আলোচনা থাকবেই।
তবে খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সব সময় লক্ষ্য থাকবে আমরা কত ভালো ক্রিকেট এখানে খেলতে পারি।’
অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম সেরা দল হওয়ায় বাড়তি করে কাউকে অনুপ্রেরণা দেওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে শান্ত জানান, তা মনে করেন না। বাঁহাতি ব্যাটারের উত্তর, ‘অস্ট্রেলিয়া অবশ্যই এক নম্বর দল, স্পেশালি এই ফরম্যাটে অনেক বছর ধরেই ভালো করে আসছে। এখানে চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি থাকবে। তবে আমি মনে করি এখানে কাউকে আলাদাভাবে মোটিভেট করার কিছু নাই। এখানে অস্ট্রেলিয়ার এগেনস্টে খেলা—এটা প্রত্যেকটা প্লেয়ারের জন্য অনেক বড় একটা সুযোগ। ড্রেসিংরুমে এটাই আলাপ হয়েছে, এখানে আমরা ব্যক্তিগত এবং দল হিসেবে যদি ভালো কিছু করতে পারি, এটা আমাদের দেশের ক্রিকেটের জন্য অনেক ভালো হবে। তাই কাউকে বাড়তি অনুপ্রেরণা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নাই। সবাই জানে এখানে একটা বড় স্কোর বা একটা ৫ উইকেট নেওয়া, দল হিসেবে ভালো করা—এটা নিজেদের জন্য এবং টিমের ভবিষ্যতের জন্য খুব ভালো একটা কাজে দেবে। এই মোটিভেশনটাই সবার কাজ করছে এবং আমার কাছে দেখে মনে হচ্ছে সবাই ভালো করতে অনেক আত্মবিশ্বাসী।’