শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
Title :
পিরোজপুরে রাতের আঁধারে তালা ভেঙে বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের নতুন ডিজি আব্দুর রহমান ‘কৃষকের বন্ধু’ খেঁকশিয়াল কেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে র‍্যাবের মতো সংগঠন প্রয়োজন, এসআরবি নিয়ে সংসদে লুৎফুজ্জামান বাবর শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে জবিতে সাংবাদিকতা কর্মশালা র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি ছিল, একই ধরনের বাহিনী কেন? প্রশ্ন শফিকুর রহমানের ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব উন্নত, দামেও সাশ্রয়ী: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ২০১৬-১৭ মৌসুমের চেলসির শিরোপা টটেনহামকে দেওয়া উচিৎ সংসদীয় কমিটি গঠনে ‘স্পিরিট অব পার্লামেন্ট’ বিবেচনার আহ্বান নাহিদের হেবার সংশোধন আইন দ্রুত বাতিল কর‌তে হ‌বে: মুফতি ফয়জুল করিম

উনি কি গালি দিলেন না দোয়া, কিছুই বুঝলাম না: রুমিন প্রসঙ্গে শফিকুর

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৫ Time View
23

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আইনপ্রণেতাদের তৈরি করা তীব্র হট্টগোলের কারণে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান কোনো কথাই পরিষ্কার শুনতে পাননি বলে জানিয়েছেন। সম্প্রতি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের এক বৈঠকে এই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার নির্ধারিত বক্তব্য দেওয়ার সময় চারপাশের হৈচৈয়ের জেরে এই পরিস্থিতির তৈরি হয়। ফলে ওই সময় রুমিন ফারহানা কী বিষয়ের ওপর আলোকপাত করছিলেন, তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

সংসদে কোনো সদস্যের বক্তব্য জোরপূর্বক থামিয়ে দেওয়া বা শোরগোল করে তা ঢেকে দেওয়াকে সম্পূর্ণ সংসদীয় রীতির পরিপন্থি বলে উল্লেখ করেন শফিকুর রহমান। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান যে, দেশের যেকোনো সংসদ সদস্যের নিজ কথা বলার যেমন সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে, ঠিক তেমনি অন্য সদস্যদেরও সেই বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার বড় দায়িত্ব রয়েছে। যদি কোনো সংসদ সদস্যের বক্তব্যে কোনো অসংসদীয় ভাষা বা আপত্তিকর বিষয় চলে আসে, তবে তার সুনির্দিষ্ট নিয়মতান্ত্রিক প্রতিকার রয়েছে বলেও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজের ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রুমিন ফারহানা বক্তব্য রাখার সময় উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে তিনি মোটেও বুঝতে পারেননি যে তিনি আসলে গালি দিয়েছেন নাকি দোয়া করেছেন। তিনি আরও যোগ করেন যে, গত কয়েকদিন আগেও এ ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ধরনের বিশৃঙ্খলার ফলে ওই সংসদ সদস্য তার কথা বলার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন কি না এবং এর সঠিক রেকর্ড কীভাবে সংরক্ষিত হবে, সেই প্রশ্নও তিনি উত্থাপন করেন।

সংসদের ভেতরে মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা বজায় রাখা এবং কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য স্পিকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, কোনো সদস্যের বক্তব্যের ব্যাপারে যদি কোনো অমিল বা দ্বিমত থাকে, তবে স্পিকারের আসন থেকে সুনির্দিষ্ট রুলিং আসতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা দাঁড়িয়ে তার জবাব দিতে পারেন। কিন্তু এভাবে পুরো বক্তব্য হট্টগোলের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য কোনো ইতিবাচক বার্তা বহন করে না বলে তিনি মনে করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com