শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
Title :
সংখ্যালঘু নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে নতুন করে গড়তে দিন-রাত কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ না দেওয়ায় যুবদল নেতার মারধর, চাঁদা দাবি প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করলেন মামুনুল হক কক্সবাজারে দুই হাজার আইফোন-ল্যাপটপসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী হারপিক পানে মা-মেয়ের মৃত্যু, হাসপাতালে আড়াই বছরের ছেলে প্রতিটি মানুষ নাগরিকত্বের ভিত্তিতে সমান অধিকার ও নিরাপত্তা ভোগ করবে ‘সংখ্যালঘু’ শব্দ ব্যবহার করে নিজেদের খাটো করবো না: পানিসম্পদমন্ত্রী ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে এক বাসের পেছনে আরেক বাসের ধাক্কা, যাত্রী নিহত

হারপিক পানে মা-মেয়ের মৃত্যু, হাসপাতালে আড়াই বছরের ছেলে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ Time View
3

নরসিংদীর মাধবদীতে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর সঙ্গে ক্ষোভ ও অভিমান করে দুই সন্তানসহ টয়লেট পরিষ্কারক তরল হারপিক পান করেন এক গৃহবধূ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শেষ পর্যন্ত ওই নারী এবং তার পাঁচ বছর বয়সী শিশুকন্যার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আড়াই বছর বয়সী অপর এক কন্যাসন্তান বা ছেলেসন্তানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। ঘটনার তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ নিহতের স্বামী ও শিশুদের পিতাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ওই গৃহবধূর নাম উর্মি (২২) এবং তার মৃত মেয়ের নাম মিম (৫)। চিকিৎসাধীন শিশুটির নাম আবির হোসেন, যার বয়স মাত্র আড়াই বছর। পেশায় গাড়িচালক মিলনের সঙ্গে তার স্ত্রী উর্মির দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য চলে আসছিল। ঘটনার দিন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি ও ঝগড়ার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মিলন তার স্ত্রীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিবারের সূত্রে জানা যায়, স্বামীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর অপমানিত হয়ে উর্মি তার দুই ছোট সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে মাধবদী পৌরসভার আনন্দী এলাকার একটি স্থানে চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি নিজে বিষাক্ত হারপিক পান করেন এবং অবুঝ দুই সন্তানকেও তা পান করান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের অবস্থা দ্রুত অবনতি হতে শুরু করলে স্থানীয় লোকজন টের পান এবং তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ও পরে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উর্মিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন এবং গুরুতর আহত দুই শিশুকে ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু মিমেরও মৃত্যু ঘটে, আর ছোট ভাই আবিরকে জরুরি বিভাগে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উর্মির মায়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত স্বামী মিলনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com