মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিদের বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি কীভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ করা হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা চেয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদনের পাশাপাশি তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া স্পষ্ট করার এই আরজি জানানো হয়।
ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই প্রক্রিয়া কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনি উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান ট্রাইব্যুনাল আইনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের বিধান থাকলেও তা বাস্তবায়নের কোনো সুনির্দিষ্ট কার্যপ্রণালী বা রুলস অব প্রসিডিউরস নেই। ফলে পূর্ববর্তী রায়গুলোতে দণ্ডিতদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের আদেশ কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।
এই জটিলতা নিরসনে ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ৩৭৬ ধারা অথবা প্রচলিত আইনি কাঠামো অনুসরণ করার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি সংশোধনী ও কার্যকর প্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্য চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়কে যথাযথ উদ্যোগ নিতে পরামর্শ দিয়েছেন।