যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের কাছে বিশাল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন। তার ভাষ্যমতে, গত পাঁচ দশকে ইরানের কর্মকাণ্ডের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের যে পরিমাণ জানমালের ক্ষতি হয়েছে, তার দায় তেহরানকেই নিতে হবে। মূলত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে ইরানের তরফ থেকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দাবির প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প এই পাল্টা দাবি করেন। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশসহ ইয়েমেনে মার্কিন নাবিক নিহতের ঘটনার জন্যও তেহরানকে দায়ী করার চেষ্টা করেন।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে তুঙ্গে। ইরান জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত তারা এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ উন্মুক্ত করবে না। অন্যদিকে, ট্রাম্প এটিকে মার্কিন নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা ‘ইস্পাতের দেওয়াল’ হিসেবে বর্ণনা করে অবরোধ কঠোর করার হুমকি দিয়েছেন। যদিও এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে হরমুজ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।