সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
Title :
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারত ইতিবাচক সাড়া দেবে, আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলের সামনে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর পলাতক স্বামী ভূরুঙ্গামারীতে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১; গ্রেপ্তার ১৭ মিরসরাইয়ে আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্ত্রী হাসপাতালে ৩৪ ক্যাটাগরি নির্ধারণ করে নতুন ভিসা নীতিমালা অনুমোদন মিরসরাই শিল্পনগরে কারখানায় ডাকাতি: ৩২ ঘণ্টার অভিযানে ৭ ডাকাত গ্রেপ্তার পেকুয়ায় চলাচলের একমাত্র পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ, অবরুদ্ধ পরিবার প্রধানমন্ত্রীর সফরের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই ফের হকারদের দখলে চট্টগ্রামের ফুটপাত কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপলো ইকুয়েডরও

কুড়িগ্রামে এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফলের বিপর্যয়: পাথরডুবি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পাসের হার শূন্য শতাংশ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ Time View
27

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় চরম ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। উপজেলার পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বোর্ডের অধীনে এ বছর শতভাগ ফেল বা শূন্য পাসের তালিকায় ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর এই বালিকা বিদ্যালয়টিও অন্তর্ভুক্ত।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাথরডুবি ইউনিয়নে অবস্থিত ওই বিদ্যালয় থেকে এ বছর মাত্র চারজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তবে প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, তাদের কেউই কৃতকার্য হতে পারেনি।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম এই ফলাফল বিপর্যয়ের পেছনের কারণ হিসেবে বাল্যবিয়ে এবং এর ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ার বিষয়টিকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন এবং এবারের খারাপ ফলাফলের কারণ খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর জেলায় মোট ১৮,৮৯৭ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে পাসের হার ৫৬.৩৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,১৭৯ জন। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলোর ফলাফল বিপর্যয়ের সুনির্দিষ্ট কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস নিশ্চিত করা, বাল্যবিয়ে ও ঝরে পড়ার হার রোধ, অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল এড়ানো সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com