কুমিল্লার দেবিদ্বারের ছোট আলমপুর গ্রামে ফরিদা ইয়াসমিন নামে এক বাড়িওয়ালিকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বাড়ির ভাড়াটিয়া লাইলী আক্তার ও তার সহযোগীরা মিলে ফরিদাকে হত্যার পর তার মরদেহ কয়েক টুকরো করে। এরপর সেই খণ্ডিত অংশগুলো নয়টি আলাদা পলিথিন প্যাকেটে ভরে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখা হয়। শনিবার সন্ধ্যায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি খুঁজে পাওয়ার পর স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নিহত ফরিদা ইয়াসমিন ওই বাড়িতে একাই থাকতেন, কারণ তার স্বামী প্রবাসে কর্মরত এবং দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তারা অন্য জায়গায় থাকেন। ঘটনার পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক লাইলী আক্তারকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী হত্যার দায় স্বীকার করে তার স্বামীসহ আরও চার সহযোগীর নাম প্রকাশ করেছে। পুলিশ মৃতদেহের অধিকাংশ অংশ উদ্ধার করতে পারলেও এখন পর্যন্ত মাথা ও পা খুঁজে পায়নি, আর পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।