রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
Title :
টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে সাইকেল পেল ৯ শিশু-কিশোর ইন্সপেক্টরকে ঝুলিয়ে পেটানোর বক্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল প্রত্যাহার ফেনী জেলা পরশুরাম রোগী সেজে অ্যাম্বুলেন্সে আসছিল ভারতীয় মদ, চালকসহ আটক ২ রাঙ্গামাটি নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর সফল অভিযান: পুকুর থেকে ১৫ লাখ টাকার চোরাই কাঠ উদ্ধার আলোচনা ব্যর্থ হলে হরমুজে টোল বসাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প ফরিদপুর মধুখালীতে বাক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধ/র্ষ/ণ ‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’ আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন হাসনাত আবদুল্লাহ! মেসির সতীর্থ হচ্ছেন ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার

ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ১৯ Time View
32

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৫ সপ্তাহ আগে ইরান আগ্রাসনের শুরুতে বাগাড়ম্বর করেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’ কিন্তু বুধবার যখন দুপক্ষের সম্পাদিত চুক্তি প্রকাশিত হলো, এটি যেন আমেরিকার আত্মসমর্পণের দলিলই বলে মনে হলো। অপরদিকে বিশ্বের বৃহত্তম শক্তিধর সামরিক বাহিনীর আগ্রাসন থেকে এ চুক্তির মাধ্যমে ইরানিরা যেন শুধু বেঁচেই ফেরেননি, বরং অনেকাংশেই তা তাদের উদযাপনের উপলক্ষ হয়েছে।

চুক্তির শুরুতেই বলা হয়েছে, তেহরান তার জ্বালানি তেল বিক্রির মাধ্যমে আয় করা কোটি কোটি ডলার তুলতে পারবে। এর মাধ্যমে ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী ‘ইরানের পরমাণু কর্মসূচি আটকে রাখার হাতিয়ারকে’ এ চুক্তির মধ্য দিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে।

একজন প্রেসিডেন্ট যিনি সবসময় চাপ প্রয়োগকে সবকিছুর ওপর গুরুত্ব দেন, তার পক্ষ থেকে চুক্তিতে এমন শর্ত যোগ আসলেই রহস্যপূর্ণ। আবার স্বাক্ষরিত চুক্তিটিকে ‘সমঝোতা স্মারক’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সময়ের ব্যবধানে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা হিসেবে চালানোর সম্ভাবনা ফুটে উঠেছে। আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কয়েক সপ্তাহ আগের বক্তব্যের চেয়ে এটি সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। তিনি বলেছিলেন, প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা গ্রহণযোগ্য হবে না।

এবার ইসরাইলের কড়া সমালোচনায় ভ্যান্সএবার ইসরাইলের কড়া সমালোচনায় ভ্যান্স
বুধবার স্বাক্ষরিত চুক্তির মাধ্যমে বছরের পর বছর জব্দ থাকা ইরানের বিপুল ডলার দেশটি তার হাতে পেতে যাচ্ছে। ট্রাম্প বলছেন, ‘উত্তম আচরণের’ বদলাতেই এ সম্পদ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এমন ছাড়ই ১১ বছর আগে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দিয়েছিলেন। ট্রাম্প সবসময়ই সেই ছাড়ের সমালোচনা করে আসছিলেন।

সাংবাদিকদের ট্রাম্প বারবারই বড় গলায় বলে আসছেন, যুদ্ধক্ষেত্রে আমেরিকা বিপুল সফলতা অর্জন করেছে। এটি ইরানের নৌবহর সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দিয়েছে, ক্ষুদ্র বিমান বাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করেছে, ইরানের বিপুল প্রতিরক্ষা শিল্পকেন্দ্র ও মিসাইল নিক্ষেপক যন্ত্র ধ্বংস করেছে। কিন্তু যুদ্ধের শুরুতে এটিই ট্রাম্পের লক্ষ্য ছিল না। ইরানে আগ্রাসনের শুরুতে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করতে চান, ক্ষমতাসীনদের পতন চান এবং দেশটির তেল সম্পদের ওপর আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চান।

পুরো চুক্তি প্রকাশ্যে আসার পর ট্রাম্পের দলীয় কট্টরপন্থিরা তাদের আপত্তি জানাচ্ছেন। অন্যদিকে ইসরাইলিরা আতঙ্কিত যে এর মাধ্যমে হিজবুল্লাহকে নিশ্চিহ্ন করতে তাদের চলমান অভিযানে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com