এরআগে কখনও কানাডার মাটিতে বসেনি বিশ্বকাপ ফুটবল। সেই উন্মাদনা স্বাভাবিকভাবেই ছিল কানাডিয়ানদের মধ্যে। সেটির প্রকাশই পেয়েছে টরেন্টো স্টেডিয়ামে। ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পরও কানায় কানায় পূর্ণ রয়েছে স্টেডিয়ামটির গ্যালারি।
শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ১টায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মুখোমুখি হয়েছে স্বাগতিক কানাডা। ১৭ হাজার অস্থায়ী আসন বাড়ানোর পরও লাল রঙে রঙিন হয়েছে টরেন্টো।
এবারের আসরে কানাডায় মোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ছয়টি ম্যাচ হবে টরন্টোতে, বাকি সাতটি ভ্যাঙ্কুভারে। কানাডা জাতীয় দলের গ্রুপ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচও হবে ভ্যাঙ্কুভারে।
টরন্টোর এই স্টেডিয়ামটি লেক অন্টারিওর তীরে তৈরি। ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এটি নির্মাণ করা হয়। একই বছরে মেজর লিগ সকারের নতুন দল হিসেবে যাত্রা শুরু করা টরন্টো এফসিরও এটি হয়ে ওঠে স্থায়ী ঠিকানা।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারিতে খাড়া স্ক্যাফোল্ডিং কাঠামোর ওপর বসানো হয়েছে অতিরিক্ত ১৭ হাজার অস্থায়ী আসন। তবে উচ্চতাভীতি রয়েছে এমন দর্শকদের জন্য এই গ্যালারিতে বসা কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে।
চলতি বছরের শুরুতে এমএলএস ম্যাচে এসব অস্থায়ী গ্যালারিতে বসা কয়েকজন সমর্থক জানান, বাতাসের গতি বেড়ে গেলে কাঠামোতে হালকা দুলুনির অনুভূতি তৈরি হয়। তবে আয়োজকদের দাবি, সব ধরনের নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পন্ন করেই দর্শকদের জন্য আসনগুলো উন্মুক্ত করা হয়েছে।
সব আয়োজন ফুরিয়েছে, কানায় কানায় পূর্ণ টরন্টো এখন ইতিহাসের পাতায়।