বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
Title :
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এস আলমের বৈশ্বিক সাম্রাজ্যে তদন্ত জোরদার, নজরে এবার মালয়েশিয়ার দুই বিলাসবহুল হোটেল প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের সেই রেফারি বিশ্বকাপে রেফারিরা কত টাকা আয় করেন? ফ্রান্স ও সেনেগালের চূড়ান্ত একাদশে থাকছেন যারা ট্রাম্পের ইরান চুক্তিতে চাপে নেতানিয়াহু, নির্বাচনের আগে কঠিন সমীকরণ টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযান: বসতবাড়ি থেকে সাড়ে ৬ কোটি টাকার ইয়াবাসহ আটক ১ জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সীমান্তে আবারও পুশইনের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এনজিও কর্মকর্তার প্রাণহানি

স্পেনের সামনে প্রাচীর তুলে দাঁড়ানো কে এই ভোজিনহা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ২৫ Time View
37

একটা ম্যাচ জয়ের জন্য যা যা করা দরকার, তার প্রায় সব চেষ্টাই করেছে স্পেন। ম্যাচের তিন চতুর্থাংশ সময় বলের দখল নিজেদের পায়ে রাখা স্প্যানিশরা পাসের পর পাস খেলেছে, প্রতিপক্ষের রক্ষণে আক্রণের ঢেউ তুলেছে। সুযোগ বুঝে শটও নিয়েছে ২৭টি। কিন্তু এরপরও গোল আদায় করতে পারেনি লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। তাতে যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ‘দুর্বল’ কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র-তেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের।

স্পেনকে হতাশার ড্র উপহার দিতে সবচেয়ে বড় অবদান কেপ ভার্দে গোলকিপার ভোজিনহার। ম্যাচজুড়ে ৪০ বছর বয়সী এ গোলকিপার এতটাই দুর্দান্ত ছিলেন যে, তাঁকে ভেদ করার কোনো উপায় খুজেঁ বের করতে পারেননি পেদ্রি-তোরেস-ইয়ামালরা।

দক্ষ হাতে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করেছেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে স্পেনকে আটকে দিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটাও বাগিয়ে নিয়েছেন ভোজিনহা। সেখানেই শেষ নয়, বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রেমিদেরও মনোযোগ কেড়ে নিয়েছেন তিনি। তাঁকে নিয়ে ইতোমধ্যে ইন্টারনেটে ঝড় উঠেছে।

তবে মজার বিষয় হলো, কেপ ভার্দে গোলকিপারের নামটা আসলে ‘ভোজিনহা’ নয়। ৪০ বছর বয়সী এ গোলকিপারের প্রকৃত নাম জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস। ‘ভোজিনহা’ মূলত তাঁর ডাক নাম। আর সেই নামটা দিয়েছেন তাঁর দাদা-দাদি।

কেপ ভার্দের সাঁও ভিসেন্তে দ্বীপে বেড়ে ওঠার সময় শৈশবেই এই ডাকনামের শুরুটা হয় তাঁর। ইংরেজিতে ভোজিনহার অর্থ কণ্ঠস্বর। আক্ষরিক অর্থেই স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে কেপ ভার্দের কণ্ঠস্বর হয়ে লড়ে গেছেন পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবে খেলা এ গোলকিপার।

শৈশবে যেটি ছিল ডাকনাম, কালের বিবর্তনে সেই ভোজিনহা নামেই বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত হলেন। কীভাবে এই ডাকনামটি তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে গেল? ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভোজিনহা বলেছেন, ‘এই ডাকনামটি আমার দাদা-দাদির কারণে হয়েছে। আমি কখনোই বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকিনি। যখন আমার জন্ম হয়, তখন আমার বাবা সামরিক বাহিনীতে কর্মরত। জীবন চালাতে আমার মাকেও কঠোর পরিশ্রম করতে হতো। সে কারণে আমার বেড়ে ওঠা দাদা-দাদির কাছেই।’

পেশাদার ফুটবলে নাম লেখানোর পর নিজ দেশ ছেড়ে প্রথম নাম লেখান অ্যাঙ্গোলার ক্লাব প্রোগ্রেসোতে। সেখানে গিয়েও দাদা-দাদির দেওয়া নামেই নিজেকে পরিচিত করে তোলেন তিনি, ‘কেপ ভার্দেতে কেউ আমাকে আমার আসল নামে চিনত না। তবে শুরুতে এই ডাকনামটা আমার মোটেও পছন্দ ছিল না, আমি প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিলাম। অ্যাঙ্গোলায় গিয়ে দেখি, সেখানে আরেকজন গোলরক্ষকের নামও জোসিমার। তখন আমি বলেছিলাম, জার্সিতে ‘জোসিমার-২’ লিখব না। কেপ ভার্দেতে সবাই যদি আমাকে ভোজিনহা নামে চিনে থাকে, তাহলে আমি ভোজিনহা হয়েই থাকব।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com