শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
Title :
দেশে না ফিরলে আ.লীগ ‘মুসলিম লীগ’ হয়ে যাবে: গোলাম মাওলা রনি কানাডার উদ্বোধনীতে বাংলাদেশি সুর, সঞ্জয় মাত‍ালেন গোটা দুনিয়া চূড়ান্ত চুক্তিতেই নির্ধারিত হবে পারমাণবিক ইস্যু ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: আরাগচি অজ্ঞান অবস্থায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা উদ্ধার আগস্টে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অস্থায়ী গ্যালারিতেও উপচে পড়া দর্শক জিয়াউর রহমানের আদর্শ আজও প্রাসঙ্গিক: ডা. রফিকুল ইসলাম বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতালেন নোরা ফাতেহি, ভেজেড্রিম ও সঞ্জয় অন্ধকার নামলেই ছিনতাইকারীদের রাজত্ব: চকরিয়া রেলস্টেশন যেন এক আতঙ্কের পথ ফেনী নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হচ্ছে মীরসরাইয়ের ধুম ইউনিয়ন: ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে এমপি নুরুল আমিন

মমতার বিরুদ্ধে জোট করেছেন সায়নী ঘোষসহ ১৯ তৃণমূল এমপি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ১৪ Time View
25

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর নতুন সংকটে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অন্তত ১৯ জন সাংসদ এনডিএ জোটের সঙ্গে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে দাবি করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

শুক্রবার (১২ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, তাদের হাতে আসা একটি চিঠিতে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৯ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে। চিঠিতে তারা নিজেদের দল থেকে আলাদা হওয়ার ইচ্ছা এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের (এনডিএ) সঙ্গে থাকার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে তৃণমূলের পরিচিত মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সায়নী ঘোষ ও ইউসুফ পাঠানের নাম রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, শিগগিরই আরও একজন প্রভাবশালী নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিতে পারেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৮ মে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে পাঠানো চিঠিতে বিদ্রোহী সাংসদরা তৃণমূল থেকে পৃথক অবস্থান নেওয়ার কথা জানান। এর দুই দিন পর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে আরেকটি চিঠি পাঠিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবর্তে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের প্রধান হুইপ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

এর আগে কাকলি ঘোষ দস্তিদার নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তৃণমূলের একটি অংশ দল ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি তখন নাম প্রকাশ না করলেও সংসদে আলাদা বসার ব্যবস্থা চাওয়া এবং বিজেপির প্রতি সমর্থনের বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন।

এদিকে দলটির তিনজন সাংসদ ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ বারাইক। এর আগে ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুশ্মিতা দেব এবং ৮ জুন পদ ছাড়েন সুখেন্দু রায়। তবে তারা বিদ্রোহী সাংসদদের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ২৮ জন সাংসদ রয়েছেন। ভারতের দলত্যাগবিরোধী আইন অনুযায়ী, আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে কমপক্ষে ১৯ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাদের কাছে সেই সংখ্যাটি রয়েছে।

অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ নেতা কীর্তি আজাদ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির চাপ ও প্রলোভনের মাধ্যমে কয়েকজন সাংসদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। বিজেপির কথিত ‘অপারেশন লোটাস’-এর সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা দল ছাড়তে চান তারা যেতে পারেন, কিন্তু তারা প্রকৃত তৃণমূলের প্রতিনিধিত্ব করবেন না।

দলটির অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের পেছনে নেতৃত্বের ধরন, দুর্নীতির অভিযোগ এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার বিষয়গুলোকে দায়ী করা হচ্ছে। চারবারের সাংসদ শতাব্দী রায় অভিযোগ করেছেন, দলের সাধারণ নেতাকর্মীদের মতামতের কোনো মূল্যায়ন করা হতো না এবং সীমিত কয়েকজন নেতারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে যাওয়ার সুযোগ ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com