নিউজ ডেস্ক:
নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী দাখিল মাদ্রাসায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছিলেন ১৮ জন শিক্ষার্থী। এই মাদ্রাসাটিতে শিক্ষক আছেন ১৭ জন। তবে পাস কতরে পারিনি ১৮ জনের কেউই। উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের আফরা দাখিল মাদ্রাসায় এমন চিত্র। মাদ্রাসাটিতে এ বছরে ও কেউ পাস করতে পারিনি।
গত সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। যশোর বোর্ডের ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী নড়াইল জেলা থেকে এবার মোট ৮ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ নিয়েছিলেন। জেলায় মোট জিপিএ -৫ পেয়েছেন ৪০৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সাধারণ জিপিএ -৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৭০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ -৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ–৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৮ জন।
জেলার ১৮৩ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা এবং ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার মধ্যে দুটি মাদ্রাসায় কেউই পাস করতে পারিনি। মাদ্রাসা দুটি হলো -সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী দাখিল মাদ্রাসা এবং একই উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের আফরা দাখিল মাদ্রাসা।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, পেড়লী দাখিল মাদ্রাসাটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। ১৯৯০ সালে মাদ্রাসা টি এমপিপ করা হয়। মাদ্রাসার বর্তমান ২৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। আর মাদ্রাসাটিতে সুপারসহ মোট ১৭ জন শিক্ষক রয়েছে। অন্য দিকে আফরা দাখিল মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসাটি জরাজীর্ণ পড়ে আছে। সেখানে কোন শিক্ষক – শিক্ষার্থী নেই। অনেক খোঁজাখুজির পর মাদ্রাসার সুপারকে ডেকে দেন স্থানীয় এক জন। মাদ্রাসাটির সুপার আতিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে আসছি। এমপিও না হওয়ায় এখন মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
নড়াইল জেলা শিক্ষা কমকর্তা মো.জামাল উদ্দিন বলেন, নড়াইল থেকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দুটি প্রতিষ্ঠান পেড়লী দাখিল মাদ্রাসা এবং আফরা দাখিল মাদ্রাসা কোন শিক্ষার্থী পাস করেনি। আমি নড়াইলে সম্প্রতি সময়ে যোগদান করেছি। যে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি। আমরা সেখানে যাব এবং আগমীতে যেন স্কুল দুটি রেজাল্ট ভালো হয়। সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।