বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন

‘দেশের প্রায় ২ কোটি প্রবীণ নাগরিক উপেক্ষিত’

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ০ Time View
1

দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিন্দুতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির সম্মুখীন হন নারী, শিশু ও প্রবীণরা। রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) আয়োজিত জাতীয় পরামর্শ সভার বক্তারা বলছেন, যেখানে নারী ও শিশুদের প্রতি সরকারি ও সামাজিক মনোযোগ বাড়ছে, সেখানে মোট জনসংখ্যার প্রায় এক দশমাংশ বা এক কোটি ৮০ লাখেরও বেশি ৬০ বছরের ওপরের প্রবীণ নাগরিক এখনও উপেক্ষিত থাকছেন। তারা এই জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তাগিদ দিয়েছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) ঢাকার মোহাম্মদপুরে ওয়াইডব্লিউসিএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন: প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু সহনশীল সমাজ গঠনে জাতীয় নীতিগত রূপরেখা’ শীর্ষক সভায় উঠে আসে যে, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে প্রবীণদের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে ২২–২৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে; অর্থাৎ অন্তত সাড়ে চার কোটির মতো হবে। আগামী দিনে টেকসই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা করতে প্রবীণবান্ধব আশ্রয়কেন্দ্র, নিরাপদ ও সুরক্ষায়নযোগী বাড়ি ও প্রবীণ সংবেদনশীল ত্রাণসেবা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দেন অংশগ্রহণকারীরা।

বক্তারা বলেছিলেন, এখন থেকেই প্রবীণদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাসমূহ নেয়ার প্রয়োজন—প্রবীণ কার্ড, স্বাস্থ্যবীমাসহ সার্বিক সুরক্ষা, আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশেষত বৃদ্ধা নারীদের জন্য সামাজিক ভাতার পরিমাণ বাড়ানো জরুরি। সভায় প্রস্তাবিত ‘ঢাকা ঘোষণাপত্র, ২০২৬’ এ বয়সভিত্তিক তথ্যাভিত্তিক ব্যবস্থা, প্রবীণবান্ধব অবকাঠামো, আন্তঃপ্রজন্মীয় সহযোগিতা, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং ‘কাউকে উপেক্ষা করে নয়’ নীতির প্রতিশ্রুতি রাখার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতার কথা তুলে ধরে জনসচেতনতা, জেন্ডার সংবেদনশীলতা ও জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রবীণদের মূল স্রোতে আনার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। রিকের প্রকল্প সমন্বয়কারী তোফাজ্জল হোসেন মঞ্জু কী-নোট উপস্থাপন করেন; সভার সভাপতিত্ব করেন আবুল হাসিব খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ ড. হালিদা হানুম আখতার; প্যানেল আলোচক হিসেবে ছিলেন গওহর নঈম ওয়ারা ও এম এম মাহামুদুল্লাহ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com