বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
Title :
হাসিনা ও জয়ের ছবি ব্যবহার করে মুজাফফরের কথোপকথন, তথ্য চেয়ে মেটাকে চিঠি শেখ হাসিনার সঙ্গে পবিপ্রবি শিক্ষকদের বৈঠক, তদন্তে কমিটি গঠন ক্রিকেটার সাকিবের বাড়িতে হামলা ও বোমা বিস্ফোরণ আইসিইউতে হাতকড়া পরা সেই মনির খান আর নেই ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাকারবার্গ ৬ জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, নৌবন্দরে সতর্কসংকেত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের তথ্যচিত্রে অনিচ্ছাকৃত ‘ত্রুটি’র বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণে লড়াই চলবে: শফিকুর রহমান দিল্লিতে অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে কথা বলার অনুমতি, বাংলাদেশের ক্ষোভ আমরা যদি বলি জুলাই কার, তাহলে জুলাই কারোই থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে রুমিন ফারহানার মন্তব্যকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বললেন মাসুদ কামাল

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৪১ Time View
58
সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, রুমিন ফারহানার ‘আগামী ১০০ বছরেও দেশে আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না’ মন্তব্যটি গুরুত্বপূর্ণ এবং এর পেছনের কারণ নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। এটা কিন্তু খুব জরুরি একটা প্রসঙ্গ।

 

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে নিজের ফেসবুক পেজ ‘কথা’-তে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাসুদ কামাল বলেন, ২০২৪ সালের হয়ে যাওয়া গণ-অভ্যুত্থানের সুফল ভোগ করছেন না, হয়তো করছেন। কারণ ২০২৪-এ গণ-অভ্যুত্থান না হলে, হাসিনা সরকারের পতন না হলে এখনো কিন্তু দেশে শেখ হাসিনার সরকার থাকতো। তারা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকতোই।

তখন তো রুমিন ফারহানা এত দ্রুত ইলেক্টেড হয়ে জাতীয় সংসদের সদস্য হতে পারতেন না। 

সে হিসেবে উনি একভাবে কিন্তু তার সুবিধাভোগী বটে। সেই সুবিধাভোগী ব্যক্তিটাই এখন কেন বলছেন যে আগামী ১০০ বছরেও এদেশে আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না। রাগ থেকে বলছেন, অভিমান থেকে বলছেন, ক্ষোভ থেকে বলছেন নাকি একদম হিসেব-নিকেশ করেই বলছেন?

তিনি বলেন, আচ্ছা এই গণ-অভ্যুত্থান যেটা হয়েছে ২০২৪ সালে একটা আন্দোলন হয়েছে পুরো জুলাই মাস ধরে এবং আগস্টের ৫ তারিখে শেখ হাসিনা সরকার তাসের ঘরের মতো হুরহুর করে ভেঙে পড়েছে।

এদের যে কেন্দ্রীয় নেতা মূল যারা নেতা ছিলেন তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশরও বেশি দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এই বাস্তবতা আমরা দেখেছি কাদের নেতৃত্বে এটা হলো কারা করল এ অনেকে অনেক কথা বলবেন। 

অনেকে বলবেন আমরাই মূল। অনেকে বলবেন না আমরা না ওরা মূল। জামায়াত বলবে আমরাই আসল।

অনেকে অনেক কথা বলবেন। কিন্তু আমরা জানি আমরা যারা দেশে ছিলাম এবং পুরো আন্দোলনের সময় ছিলাম। জুলাই মাসের আগে থেকেই ছিলাম। জুলাই মাসের আগে থেকে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রকাশ্যে সমালোচনা করতাম। আমরা খুব ভালো করেই জানি। এই আন্দোলনটা ছিল আসলে জনগণের আন্দোলন। মানে গণ-অভ্যুত্থান। মানে জনগণের অভ্যুত্থান। জনগণ ক্ষেপে গিয়েছিল। জনগণ বিরক্ত ছিল ওই সরকারের প্রতি। জনগণ ওই সরকারের পতন চেয়েছিল। জনগণ রাস্তায় নেমেছিল। এই জন্যই ওই সরকারের পতন ঘটেছিল। 

এর মাঝখানে আর যাদেরকে দেখেন যারা দাবি করে আমরা নেতৃত্ব দিয়েছি অমুক করেছি তমুক করেছি। তারা অনেক কিছুই করেছেন কিন্তু তার মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটেনি এবং ঘটতোও না যদি জনগণ নামতো। তাদের কারোর ওপর দেশে জনগণের কোনো আস্থা ছিল না। ছিল না এই কারণে তারা তো মোটেই পরীক্ষিত কোনো নেতৃত্ব ছিল না। তারা কতগুলো ছাত্র ছিল এবং এই ছাত্ররা মাঠে ছিল। মাঠে আরো অনেকেই ছিল। কিন্তু যারা ছিল তাদের মূল লক্ষ্য ছিল একটা। সেটা হলো হাসিনা সরকারের পতন।

মাসুদ কামাল বলেন, হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে যে যার মতো ঘরে ফিরে চলে গেছে সুবিধাবাদীরা সুবিধাভোগীরা যারা সুবিধা পেতে চেয়েছেন তারা নেতৃত্ব নিয়ে কামড়াকামড়ি করেছেন এবং হাসিনা সরকারের পতনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে যে একটা প্রত্যাশা ছিল সেই প্রত্যাশাটাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন। কারা হত্যা করেছেন? কে দায়ী ছিল এর জন্য? প্রধানত দায়ী কে ছিল? সে আলোচনায় আমি যাব। কিন্তু তার আগে আমি রুমিন ফারহার কয়েকটা কথা বলে নেই। উনি কি কি বলেছেন দেখুন উনার কথাগুলো শুনলে আপনারা কিন্তু বুঝতে পারবেন। উনি মোটামুটি সবগুলো পয়েন্টে টাচ করে গেছেন বলে আমার কাছে মনে হয়েছে।

তিনি বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল ২৪ সালে শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি। এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদে নতুন উত্থান। অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প। তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার লক্ষবার কোটিবার চিন্তা করবে এরকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার আগে। মানুষের হতাশার কথা বলেছেন। প্লাস সে হতাশা কেন মানুষের মধ্যে ভর করেছে সেই কথা বলেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com