শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
Title :
নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি নেতা ‘সব ফাঁস’ করে দেওয়ার হুমকি পাটওয়ারীর, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের ‘সেই পুরোনো অভ্যাস! ছাত্রদল আমাদের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের মামলা দিয়েছে’ শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ দিচ্ছে না ভারত এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা নিয়ে সাবেক শিবির সভাপতির মন্তব্যে পাল্টাপাল্টি বিতর্ক দুই দশক পর কলকাতায় ফিরলেন তসলিমা নাসরিন শেখ হাসিনা ফিরলে আইনের বাইরে সরকার কিছু করবে না: আইনমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধের তিন দিনের মাথায় পালাতে বাধ্য হয়েছিল সরকার: জামায়াতের আমির টেম্পু স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি কর্মসংস্থানের সম্মান নষ্ট করে: জামায়াত আমির

ক্রনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত হলে শরীরে যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১১ Time View
138

আমরা অনেকেই বুঝতেই পারি না, কিডনি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে। কারণ এই অঙ্গ দুটি নীরবে কাজ করে- রক্ত পরিষ্কার করে, বর্জ্য ছেঁকে শরীরকে সুস্থ রাখে। কিন্তু কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে বিষাক্ত উপাদান জমতে থাকে।

তখনই দেখা দেয় দীর্ঘমেয়াদি কিডনি সমস্যা, যাকে বলা হয় ‘ক্রনিক কিডনি ডিজিজ’ বা সিকেডি। এই রোগের শুরুতে সাধারণত কোনো লক্ষণই ধরা পড়ে না, তাই বিশেষজ্ঞরা একে নীরব ঘাতক বলেন।

ক্রনিক কিডনি ডিজিজে যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে
কিডনির ফিল্টারিং ক্ষমতা কমলে শরীরে নানা পরিবর্তন দেখা দেয়। রোগ একটু বাড়লে যেসব লক্ষণ সাধারণত প্রকাশ পায় :

– ঘন ঘন প্রস্রাবের অনুভূতি

– খুব দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া

– ক্ষুধামন্দা

– হাত-পা বা চোখের পাতা ফুলে যাওয়া

– প্রস্রাব বুদবুদযুক্ত বা ফেনা হওয়া

– ত্বক শুষ্ক হওয়া বা চুলকানি

– মনোযোগ কমে যাওয়া, ঘুম না আসা

– বমিভাব বা পেশিতে টান

– রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া

কিডনি নষ্ট হওয়ার প্রধান কারণগুলো
সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ।

এছাড়াও যেসব কারণে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে :

– গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস – বংশগত পলিসিস্টিক কিডনি ডিজিজ

– প্রস্রাবের পথ ব্লক হওয়া (পাথর, বড় প্রস্টেট বা টিউমারের কারণে)

– দীর্ঘদিন ব্যথানাশক সেবন

– বারবার কিডনি ইনফেকশন

এসব সমস্যার ফলে অ্যানিমিয়া, হাড় দুর্বল হওয়া, হৃদরোগ, নার্ভের সমস্যা, শরীরে অতিরিক্ত পটাশিয়াম বা ফসফরাস জমা হওয়া এমনকি পানি জমে শ্বাসকষ্টও হতে পারে।

চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণের উপায়
ক্রনিক কিডনি ডিজিজ পুরোপুরি সারানো সম্ভব না হলেও যত্ন নিলে কিডনি অনেকদিন ভালো রাখা যায় :

– নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ

– রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

– কিডনিবান্ধব খাদ্য

– ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকা

– নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ

– প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা

– বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা

– রক্তচাপ ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা

– সুষম খাবার খাওয়া

– ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা

– অকারণে ব্যথানাশক না খাওয়া

– নিয়মিত ব্যায়াম

ক্রনিক কিডনি ডিজিজ শুরু হলে তা দীর্ঘমেয়াদি হয়। কিন্তু সচেতনতা, নিয়মিত চেকআপ এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস কিডনিকে দীর্ঘসময় সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তাই নিজের এবং পরিবারের সবার কিডনি স্বাস্থ্য নিয়ে আজ থেকেই যত্নবান হওয়া জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com