রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন

ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রতিনিধিদের সঙ্গে পুতিনের ‘রুদ্ধদ্বার’ বৈঠক

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬ Time View
7

ইউক্রেন সংঘাত নিরসনের সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি সম্পূর্ণ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। বিশ্ব রাজনীতিতে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এই গোপন বৈঠকে ঠিক কী ধরনের ইস্যু বা শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে মস্কো কিংবা ওয়াশিংটন—কোনো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

<প্রাসঙ্গিক অংশ>

মার্কিন প্রতিনিধি দলটির এই রাশিয়া সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে। কারণ, ট্রাম্পের প্রতিনিধিদের এই সফরের ঠিক এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময় আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ মস্কো সফর করেছিলেন। গোয়েন্দা প্রধানের ওই সফরটিকে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত বিরল ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় গোয়েন্দা প্রধানের পর এবার ট্রাম্পের প্রতিনিধিদের এই সফর কূটনৈতিক যোগাযোগে নতুন মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

<পরামিতি>

রারাশিয়ার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক শেষ করে মার্কিন প্রতিনিধি দলটি তাদের পরবর্তী গন্তব্যের দিকে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়া সফর সম্পন্ন করার পর মার্কিন প্রতিনিধি দলটির সরাসরি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে যাওয়ার কথা রয়েছে। কিয়েভে পৌঁছানোর পর ইউক্রেনীয় নেতৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট পশ্চিমা মিত্রদের সঙ্গে তারা বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, মস্কোয় আলোচিত বিষয়গুলো এবার ইউক্রেনীয়পক্ষের সামনে উপস্থাপন করা হতে পারে।

<সামগ্রিক পরিণতি>

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিনিধি দলের এই ধারাবাহিক মস্কো ও কিয়েভ সফর ইউক্রেন সংকট সমাধানে মার্কিন নীতির ক্ষেত্রে কোনো বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করতে পারে। নির্বাচনের আগে ট্রাম্প বারবার দ্রুত এই যুদ্ধ থামানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আর এই গোপন বৈঠকগুলো সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়নমূলক প্রাথমিক পদক্ষেপ হতে পারে। যদিও দুই পক্ষের পক্ষ থেকেই আলোচনার বিষয়বস্তু কঠোর গোপন রাখা হয়েছে, তবুও এই কূটনৈতিক তৎপরতা বিশ্বজুড়ে শান্তি আলোচনার নতুন কোনো পথ উন্মোচন করতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com