বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
Title :
অদৃশ্য শত্রু মাইক্রোপ্লাস্টিক: মানব শরীরে এর প্রভাব ও বাঁচার উপায় বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্য গ্রেফতার বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিতে সম্মত মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম বেজার বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনে ২১১ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন টিকটকে ব্যস্ত যুবক শোনেননি সাইরেন, ট্রেনে কাটা পড়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন হত্যাচেষ্টা মামলায় সালমান এফ রহমানকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ব্ল্যাক বক্স উন্মোচন করলো ফিফা, তদন্ত শুরু মদ কিনতে টাকা দিচ্ছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, ভিডিও ভাইরাল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর অধ্যাপক জাকির হোসেন রাবিতে শিক্ষার্থীদের মারধর, বিচার চেয়ে ছাত্রদলের মানববন্ধন

আসামির পক্ষ নিয়ে একপেশে রিপোর্ট দিয়েছে এইচআরডব্লিউ: চিফ প্রসিকিউটর

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ১৯ Time View
28

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) যে রিপোর্ট দিয়েছে তা একতরফা এবং পক্ষপাতদুষ্ট। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কিছু আসামির পক্ষে অলংকার ছাঁচিয়ে তৈরি করা গেলে এমন প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, এইচআরডব্লিউর কেউ ট্রাইব্যুনালে এসে তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেননি এবং তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে যাচাই না করে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এসব মন্তব্য তিনি বুধবার (২৯ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়ে বলেন। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আন্তর্জাতিক মান বিষয়ে প্রশ্ন তুলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

একই ধরনের অভিযোগ বহু মামলায় বারবার পাওয়া যাচ্ছে — এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর ব্যাখ্যা দেন যে এক জায়গায় যেখানে ১০০ জনকে শহীদ করা হয়েছে, সেখানে এক হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষিতে কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিচার চলছে; এরপর আরেকটি হত্যাকাণ্ডে অভিযোগ শুরু হলে কেসগুলোর স্টেটমেন্ট ও অভিযোগের ভাষা কাছাকাছিই দেখা দেয়। তিনি বলেন, যারা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্টে রেফারেন্স হয়েছেন তারা বিষয়গুলো ভুলভাবে উপলব্ধি করেছেন; সারাদেশে পরিকল্পিতভাবে মারণাস্ত্র ব্যবহার ও একইভাবে গুলি চালিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে, তাই অভিযোগের ধরন মিলবে এবং সাক্ষীরাও ঘটনার মতোই বর্ণনা করবে।

একজন প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তুলে তা প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, অভিযোগ উঠার সঙ্গে সঙ্গেই ওই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, অভিযোগকারীর পক্ষ থেকে ওই প্রসিকিউটরের সঙ্গে শুধু একবার নয়, মোট ২৪ বার যোগাযোগ করা হয়েছিল, যা ইঙ্গিত করে উদ্দেশ্য ছিল ট্রাইব্যুনালের বিচারকে বিতর্কিত করা। তিনি আরও বলেন, তাদের তদন্ত সংস্থায় ২৪ জন সিনিয়র কর্মকর্তা কাজ করছেন, নিজে ৩৮ বছর ধরে আইন পেশায় আছেন এবং দেশের নামকরা আইনজীবীরা প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন, তাই কারো ওপর মানহানির সুযোগ নেই। চিফ প্রসিকিউটর দাবী করেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ অন্য কোনো সংগঠন পক্ষপাতদুষ্ট রিপোর্ট দিচ্ছে যা নিয়ে তাদের প্রশ্ন আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com