শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন
Title :
বঙ্গভবনে সন্ধ্যার সেই মুহূর্ত ডিপজল-ডলি জহুরকে নিয়ে সালমানের মা নীলা চৌধুরীর বিস্ফোরক মন্তব্য বিরোধী দলের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণ দৃষ্টিতে দেখছে সরকার: হামিদুর রহমান আযাদ তিতুমীরের বাঁশেরকেল্লা থেকে জুলাইয়ের প্রতিরোধ—একই সূত্রে গাঁথা: ডাকসু নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে ফেসবুকে যা লিখলেন প্রধানমন্ত্রী রোববার ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী! যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে বিধ্বংসী ৮ প্রার্থীর ৩ জন পুরুষ, তবে বিশ্ব কি পাচ্ছে নারী মহাসচিব? মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের আগ্রহে নজর রাখছে ভারত যুদ্ধের অবসান ঘটানোর সময় এসেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

রোববার ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী!

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ Time View
8

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট (রোববার থেকে মঙ্গলবার) ভারত সফরে যেতে পারেন। সফরটি হলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই হবে তার প্রথম নয়াদিল্লি সফর। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে রয়টার্সও সম্ভাব্য সফরের খবর জানিয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে সম্ভাব্য এই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকা ও নয়াদিল্লির সম্পর্কে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা কমিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে স্বাভাবিক ধারায় ফেরানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই সফরটি হতে পারে।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ইতোমধ্যে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। ফলে তাঁর ভারতে অবস্থানও দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম স্পর্শকাতর বিষয় হয়ে আছে।

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে কার্যকর ও স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখার আগ্রহ দেখিয়ে আসছে তারেক রহমানের সরকার। সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সফরটি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। গত সপ্তাহে ঢাকা থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন। শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক একটি গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যের পর দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলে বাংলাদেশ এ অবস্থান জানায়।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। পরে তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। তার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অভিযান চালানোর অভিযোগ ওঠে। এ-সংক্রান্ত মামলায় গত বছরের নভেম্বরে অনুপস্থিতিতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনা অবশ্য তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করে আসছেন তিনি। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

এই পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর শুধু আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে নয়, বরং দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। সফরটি শেষ পর্যন্ত হলে সীমান্ত, বাণিজ্য, পানি, নিরাপত্তা এবং শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান আরও স্পষ্ট হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com